kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

ত্রিশালে টিকা কার্যক্রম

সারাদিন ভোগান্তি, টিকা না পেয়ে ফিরে গেছে শত শত শিক্ষার্থী

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ২১:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সারাদিন ভোগান্তি, টিকা না পেয়ে ফিরে গেছে শত শত শিক্ষার্থী

করোনার টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের চরম বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। কোনো নিয়ম না রেখে এভাবেই ঝুঁকিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের। বিশৃঙ্খলভাবে অরক্ষিত অবস্থায় টিকা নিতে আসা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। সামাজিক দূরত্ব তো দূরের কথা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও একে অপরের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ছিল।

বিজ্ঞাপন

উধাও ছিল স্বাস্থ্যবিধি।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী চলা স্কুল-মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কভিড-১৯-এর টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ত্রিশাল উপজেলার আওতায় ৩০ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী পাচ্ছে ফাইজার বায়োএনটেক টিকা। ইতিমধ্যে ২৩ হাজার ৭৪৫ জন শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছে। সোমবার ছিল নবম দিন। এদিন টার্গেট ছিল ছয় হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে টিকাদান সম্পন্নের।

হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে টিকাদান কর্মসূচিতে আনসার ও স্বেচ্ছাসেবকসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ছাড়াই শুরু হয় টিকা দেওয়া। এতে স্বাস্থ্যবিধি ব্যাহত এবং চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

সোমবার বিকেলে ত্রিশাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস চত্বর ও উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, দুটি ভেন্যুতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এসেছে টিকা নিতে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এসেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও। অনেকের মুখে মাস্কই ছিল না।

ক্ষোভ প্রকাশ করে শুভ নামে এক শিক্ষার্থী জানায়, ১৮ বছরের নিচে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার এই অবস্থা। সবাই কিন্তু কভিড-১৯-এর টিকা দিচ্ছে। নেই কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রক্রিয়া, নেই মাস্ক। এভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে টিকাদানে না আসার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঝিল্লুর রহমান আনম বলেন, উপজেলায় ৩০ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী পাচ্ছে ফাইজার টিকা। আজ শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি থাকায় একটু হিমশিম খেতে হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবারের মধ্যে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। এ জন্যই সব শিক্ষার্থীকেই টিকার জন্য নিয়ে আসায় একটু গাদাগাদি হয়ে গেছে।     



সাতদিনের সেরা