kalerkantho

শুক্রবার ।  ২০ মে ২০২২ । ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৮ শাওয়াল ১৪৪৩  

ওরা টোকাই নয়, তবুও...

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা   

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১৯:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওরা টোকাই নয়, তবুও...

ক্যাম্পাসের এখানে-সেখানে দল বেঁধে আবর্জনা কুড়াচ্ছেন কিছু ছেলে-মেয়ে। ওরা টোকাই নয়। নয় পরিচ্ছন্নতাকর্মীও। তাঁরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী।

বিজ্ঞাপন

একাডেমিক পড়াশোনার অংশ হিসেবে এবং জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সোমবার (১৭ জানুয়ারি) ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।  

বিভাগটির শতাধিক শিক্ষার্থী ২০টি দলে বিভক্ত হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম।

শিক্ষার্থীদের একটি কোর্সের বিষয়ে হাতে-কলমে শেখাতে ও জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

একজন দলপতির নেতৃত্বে ৬-৭ জন করে শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের একাডেমিক ও আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পলিথিন, বোতল, অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবর্জনা কুড়িয়ে বস্তা বন্দি করেন। এই কার্যক্রমে ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ১০০ বস্তা আবর্জনা কুড়িয়েছেন বলে জানান পরিচ্ছন্নতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা। পরে সেগুলো ভ্যানে করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।  

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া সানজিদা হক নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রথমে স্যার এবং বড়দের কথায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিলেও কাজ শুরুর পর অন্যরকম এক ভালোলাগার অনুভূতির তৈরি হয়। শুরুর সময় যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম এবং পরিচ্ছন্নতা শেষ করে আবার যখন ফিরছিলাম তখন দুই দৃশ্যের পার্থক্য দেখে খুবই ভালো লেগেছে। এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষণীয় কর্মসূচি ছিল। ’

এ বিষয়ে ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিভাগের একটি কোর্স ওয়াস্ট ডিসপোজাল ম্যানেজমেন্ট পড়াতে গিয়ে মনে হলো বিষয়টি ভালোভাবে শিখতে শিক্ষার্থীদের মাঠপর্যায়ে ট্রেনিং প্রয়োজন। ময়লা আবর্জনার ক্ষতিকর দিকগুলো তারা হাতে কলমে শিখতে পারলো। তবে এই কার্যক্রমের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। ’



সাতদিনের সেরা