kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

বউয়ের জয়ে খুশি শাশুড়ি

রাজবাড়ী প্রতিনিধি    

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১৮:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বউয়ের জয়ে খুশি শাশুড়ি

পুত্রবধূর জয়ে খুশি শাশুড়ি। তাঁর কাছেই আসছে মিষ্টি। কেউ কেউ ফুল নিয়ে এসে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তাঁকে। বাড়িতে রয়েছে ভিড়।

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে টানা তিনবার জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী সেলিনা হায়াত আইভী। তাঁর এই জয়ে আনন্দের বাতাস বইছে শ্বশুরবাড়ি রাজবাড়ীতে। সেখানেই মিষ্টি ও ফুল নিয়ে আইভীর শাশুড়ি কাজী হাবিবা সালেহর সঙ্গে দেখা করতে আসছেন দলের নেতাকর্মী ও স্বজনরা।

রবিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণার পর থেকেই বাড়ির সামনে ভিড় লেগে আছে। স্বজনদের শুভেচ্ছা পেয়ে আইভীর শাশুড়ি কাজী হাবিবা সালেহ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আইভী বিজয়ী হওয়ায় আমি অনেক খুশি, যে খুশি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। ' এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী ও নারায়ণগঞ্জ সিটির ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের মেয়ে আইভীর বিয়ে হয় রাজবাড়ী জেলার কাজী আহসান হায়াতের সঙ্গে। শহরের সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ এলাকার বাসিন্দা তিনি। আহসান হায়াত নিউনিল্যান্ডপ্রবাসী একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার।  

এর আগে, রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নাসিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে। ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হয়।

ফলাফল ঘোষণার পর দেখা গেছে, আইভী তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা তৈমূর আলম খন্দকারের চেয়ে ৬৬ হাজার ৯৩১ ভোট বেশি পেয়েছেন। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে আইভী পেয়েছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৯৭ ভোট। হাতি প্রতীকের তৈমূর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৬৬ ভোট।

এ নিয়ে আইভী তৃতীয়বারের মতো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী এক লাখ ৮০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসাবে সেলিনা হায়াত আইভী এক লাখ ৭৫ হাজার ৬১১ ভোটে আবার নির্বাচিত হন।  



সাতদিনের সেরা