kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

বিরোধীয় জমিতেই পিটিয়ে হত্যা করা হলো মিন্টু মাঝিকে

শরিফুল আলম ইমন, শরীয়তপুর   

১৬ জানুয়ারি, ২০২২ ১৮:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিরোধীয় জমিতেই পিটিয়ে হত্যা করা হলো মিন্টু মাঝিকে

শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডিএমখালি ইউনিয়নে মিন্টু মাঝি (৩৮) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ, জমির বিরোধের জেরে একই ইউনিয়নের সুমন হাওলাদার, আরিফ হাওলাদার ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানোর। রবিবার সকাল ৭টার দিকে সখিপুর থানার ডিএমখালী ইউনিয়নের হাওলাদারকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আরো দুজন আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

ঘটনার পর দেলোয়ার হাওলাদার (৫২), আবুল কালাম (৪২) ও সুমন হাওলাদারের মাকে আটক করে পুলিশ।

শরীয়তপুরের সখিপুর থানার পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার হাওলাদারকান্দি গ্রামের আমান উল্লাহ মাঝির ছেলে মিন্টু মাঝি। মিন্টু মাঝির ৫৮ শতাংশ জমি নিয়ে প্রতিপক্ষ সুমন হাওলাদারের পরিবারের বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি ওই জমিতে সীমানা দেন মিন্টু। রবিবার সকালে সেই সীমানা ভাঙতে আসে সুমন হাওলাদার ও তাঁর ভাই আরিফ হাওলাদারসহ ৮-১০ জন। এ সময় মিন্টু ও তাঁর পরিবার বাধা দিলে মিন্টুকে পেটানো হয় ও লোহার শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে।

পরে স্থানীয়রা তাঁকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় হামলাকারীরা তাসলিমা বেগম (৪৮) ও রশিদ মাঝি (৩৫) পিটিয়ে আহত করেন। আহতদের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নিহত মিন্টু মাঝির স্ত্রী জান্নাত আক্তার ইভা কালের কণ্ঠকে বলেন, 'জমির জন্যই সুমন হাওলাদার, আরিফ হাওলাদাররা আমার স্বামীকে মেরে ফেলছে। এক ছেলে এক মেয়ে আমাদের। স্বামী ছাড়া কিভাবে বাঁচব আমি জানি না। আমি আমার স্বামী হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। '

জানতে চাইলে ঘটনার পর সুমন হাওলাদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গ্রাম থেকে পালিয়ে যায়। তাদের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান হাওলাদার কালের কণ্ঠকে বলেন, মিন্টু নামের এক যুবককে জমির বিরোধের জেরে লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী হত্যা মামলা করার জন্য এজাহার দিয়েছেন। সেটার প্রক্রিয়া চলছে।



সাতদিনের সেরা