kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

প্রতিবারই জামানত খোয়ান, তবুও নির্বাচন এলেই প্রার্থী হন রুপা রায়

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ১৪:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিবারই জামানত খোয়ান, তবুও নির্বাচন এলেই প্রার্থী হন রুপা রায়

রুপা রায় চৌধুরী। তিনি পরিচিত কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতা নন। সামাজিক কাজেও নেই অংশগ্রহণ। তারপরও কখনো সংসদ সদস্য, কখনো উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন তিনি।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবারই জামানত খোয়াতে হয়েছে তাকে। তারপরও বারবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়াই যেন তার নেশা।

এবার তিনি টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মাঝে মধ্যে কয়েকটি জায়গায় তার পোস্টার লাগানো থাকলেও প্রচারণা দেখা যায়নি। আগামীকাল রবিবার (১৬ জানুয়ারি) এ উপনির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।  

রুপা রায় চৌধুরী মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের বাগজান গ্রামের চন্দন রায়ের স্ত্রী। শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস। তিন সন্তানের জননী তিনি। স্বামী চন্দন রায় একজন কৃষক। আর্থিক সচ্ছলতা না থাকলেও রুপা রায় এর আগেও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন। এরপর তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু দুই নির্বাচনেই তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ২০১৬ সালে ভাতগ্রাম ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তখন যাচাই-বাছাইয়ে বয়স কম থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

রুপা রায় চৌধুরীর স্বামী চন্দন রায় বলেন, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিন শতাধিক ভোট পেয়েছিল রুপা। এবার আরও বেশি ভোট পাবে।  

রুপা রায় চৌধুরীর সঙ্গে কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জনসংযোগ চালিয়েছি। এ প্রার্থী আরও বলেন, আমি জনগণের সেবা করতে চাই। আমার বিশ্বাস, জনগণ একবার আমাকে সেবা করার সুযোগ দেবে।  



সাতদিনের সেরা