kalerkantho

বুধবার । ১২ মাঘ ১৪২৮। ২৬ জানুয়ারি ২০২২। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

আখাউড়ায় প্রতীক বরাদ্দের আগেই প্রচারণা, দৃষ্টি নেই প্রশাসনের

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ০৯:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আখাউড়ায় প্রতীক বরাদ্দের আগেই প্রচারণা, দৃষ্টি নেই প্রশাসনের

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণায় নামার কথা থাকলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেশির ভাগ প্রার্থীই সেটা মানছেন না। প্রতীক বরাদ্দের আগেই নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে হাজার লোকের উপস্থিতিতে সমাবেশ ও খাওয়ার আয়োজন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এখন ব্যবস্থা নেওয়ার সময় না।  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন শনিবার রাতে নির্বাচনী সমাবেশ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

ওই সমাবেশে হাজারখানেক লোকের উপস্থিতি ছিলো। শুধু মনির হোসেন না, উপজেলার বেশির ভাগ চেয়ারম্যান প্রার্থীই প্রতীক বরাদ্দের আগেই ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বড় বড় সভা-সমাবেশের পাশাপাশি খাবারের আয়োজনও করা হচ্ছে এসব আয়োজনে। চলছে মোটরসাইকেল মহড়া ও মিছিল। প্রার্থীরা ইতিমধ্যে দলবেঁধে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইতে শুরু করেছেন।  

এ অবস্থায় কোনো ভূমিকা গ্রহণ করেনি প্রশাসন।   অনেক প্রার্থী এসব বিষয়ে অভিযোগ করলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।  । মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের রিটার্নি অফিসার কালের কণ্ঠকে জানান, নিয়ম অনুসারে প্রতীক বরাদ্দের আগে কেউ নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। একটি সমাবেশের বিষয়ে অভিযোগ পেয়ে প্রার্থীকে ফোন দিলে বলেন, ওইটা ছিল পারিবারিক আয়োজন।

এদিকে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান নির্বাচনসংক্রান্ত কাজে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও আচরণবিধি বিষয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে বিভিন্ন এলাকা ঘুরছি। চেষ্টা করছি যেন একটি সুন্দর নির্বাচন হয়। ’ 

আগামী ২৬ ডিসেম্বর আখাউড়া উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে আখাউড়ায় চেয়ারম্যান পদে কাউকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলে নির্বাচনে ভিন্ন আমেজ বিরাজ করছে।  

আখাউড়ার পাঁচ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৬ জন, সাধারণ সদস্য পদে ১৯০ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৫০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ধরখারে সবচেয়ে বেশি ১৬ জন ও দক্ষিণে সবচেয়ে কম মাত্র তিনজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। মনিয়ন্দের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যুবলীগের প্রয়াত নেতা বাদল দাসের স্ত্রী শিখা রানী দাস সংরক্ষিত সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

 



সাতদিনের সেরা