kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

'ডাকাত ডাকাত' মাইকিং করে নির্বাচনী হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৬:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ডাকাত ডাকাত' মাইকিং করে নির্বাচনী হামলা

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে নৌকার সমর্থকদের ওপর পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। মধ্যরাতে বিদ্রোহী প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন হামলা চালিয়েছে অভিযোগ তুলে হামলা করে তারা। হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন এবং চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তারা।

এ ঘটনার পর রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী নূর মোহাম্মদ তুফানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

রাতেই নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তুফানসহ ৯ জনকে আসামি করে এবং অজ্ঞাত আরো ৫০-৬০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় রাতেই পুলিশ তুফানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১১টার দিকে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুনের নেতৃত্বে ৩৫-৪০ জনের একটি দল বিদ্রোহী নূর মোহাম্মদ তুফানের সঙ্গে দেখা করতে যায়। এ সময় তারা তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে আসার আহ্বান জানায়। তুফান তাদের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উপস্থিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী তার বাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন।

এ ঘটনায় ওই এলাকার মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়, ‘তুফানের বাড়িতে ডাকাত পড়েছে ডাকাত পড়েছে। তাকে মেরে ফেলা হচ্ছে। ’ এমন খবরে গ্রামবাসী একযোগে লাঠিসোঁটা নিয়ে নৌকার সমর্থকদের ওপর হামলা চালান। অনেকেই পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে মোটরসাইকেল নিয়েই পালিয়ে যান। কিন্তু পালাতে গিয়েও মারধরের শিকার হন অন্তত পাঁচজন। এ ছাড়া চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

পরে আহতরা নিজেদের পরিচয় ‍দিয়ে কোনোমতে জীবন রক্ষা করেন। তাদের মধ্যে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সুজন ও ছাত্রলীগ কর্মী কাজল হোসেনকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘প্রচারণা শেষে ফেরার পথে নৌকার সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগে এক চেয়ারম্যান প্রার্থী তুফানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যেভাবে মাইকে ঘোষণা দেওয়ার পরে হামলা হয়েছে, এতে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারত।



সাতদিনের সেরা