kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ মাঘ ১৪২৮। ১৮ জানুয়ারি ২০২২। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

লংগদুতে শান্তিচুক্তির ২৪তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

'পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দুষ্কৃতিকারীদের প্রতিহত করতে হবে'

লংগদু (রাঙামাটি) প্রতিনিধি   

২ ডিসেম্বর, ২০২১ ২২:১০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দুষ্কৃতিকারীদের প্রতিহত করতে হবে'

শান্তিচুক্তি একটা চলমান প্রক্রিয়া, গত ২৪ বছরে পাহাড়ে সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা বিশ্বাস ও সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে আমাদের ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে কাজ করতে হবে। শান্তি বজায় রাখতে হলে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সমাজের প্রত্যেকের কিছু দায়িত্ব আছে। আমরা যেন অন্যায় কোনো বিষয় মেনে না নেই। সমাজ থেকে অপরাধী ও শান্তি বিনষ্টকারী দুস্কুতিকারীদের প্রতিহত হরতে হবে। দুস্কৃতিকারীদের কোনো অন্যায় সুযোগ নিতে দেওয়া যাবে না। তারা কোনোভাবেই যেন সম্প্রীতির এই বন্ধনে ফাটল ধরাতে না পারে। আমরা আশাকরি চুক্তির সকল ধারা ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হবে। এবং আমরা সুদৃঢ়ভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিতে বসবাস করতে পারব।

শান্তিচুক্তির ২৪তম বর্ষপূর্তির আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন লংগদু জোনের অধিনায়ক লে. কর্নেল তাকবীর আবদুল্লাহ (পিএসসি)।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৪তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনাসভা, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, মেডিক্যাল ক্যাম্প, শান্তি মেলা ও সাংস্কৃকি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেনাবাহিনীর লংগদু জোন।

লংগদু জোনের নবাগত অধিনায়ক লে. কর্নেল তাকবীর আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে লংগদু সরকারি মডেল কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘শান্তিচুক্তির মৌলিক ধারাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হলে পাহাড়ের সকল জনগণ স্থায়ী শান্তির সুফল পেত। শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আরো আন্তরিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। শান্তিচুক্তির ফলে পাহাড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের মাঝে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাইনুল আবেদীন, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুল আমিন, আটারকছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা, খেদারমারা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিশ্বপ্রিয় চাকমা (কার্বারী), স্থানীয় হেডম্যান এখলাস মিঞা খান, আমতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, লংগদু ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য চম্পা চাকমা, কারবারী প্রিয় রঞ্জন চাকমা প্রমুখ।

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন লংগদু সেনা জোনের অ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক আহাম্মেদ, ক্যাপ্টেন আসাদুজ্জামান মুরাদ, লংগদু সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তানিয়া আফরোজ, মাইনীমুখ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলী, খেদারমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ চাকমা, কালাপাকুজ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা মিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন মৌজার হেডম্যান, কারবারি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।



সাতদিনের সেরা