kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বিশেষ অঙ্গে লাথির কারণেই মারা যান দিনমজুর শমসের

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া    

২ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৩:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশেষ অঙ্গে লাথির কারণেই মারা যান দিনমজুর শমসের

বগুড়ায় শমসের আলী (৫২) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত একমাত্র আসামি মো. মোস্তফাকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ডালিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মোস্তফা ডিমলা উপজেলার বাইশপুকুর এলাকার সাহাবুল্ল্যাহর ছেলে।

বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন এসব তথ্য জানান।

এর আগে গত ২৯ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে বগুড়া সদরের মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর কিনার থেকে হাত বাঁধা ও গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় শমসেরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শমসের ডিমলা উপজেলার ছাতুনামা এলাকার মৃত নহর উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত মোস্তফা এবং শমসের অনেক দিন ধরে বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলায় ধানের জমিতে কাজ করতেন। গত জুন মাসে তারাসহ ৭-৮ জন দিনমজুর বগুড়ায় মাটিডালী ঠান্ডুর স'মিলে রাতে ঘুমাতেন এবং দিনের বেলায় বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করতেন। গত ২৮ জুন মোস্তফা ও শমসের যথারীতি শাখারিয়া ইয়নিয়নের কবিরাজপাড়া গ্রামে যার যার কাজে বের হয়ে যান। কাজ শেষে সন্ধ্যার দিকে তারা স'মিলের দিকে ফেরার পথে মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর ধারে তাদের দেখা হয়। এসময় তারা হাসি-ঠাট্টাসহ বিভিন্ন মজার আলাপ করতে থাকেন। হাসি-ঠাট্টার একপর্যায়ে মোস্তফা সজোরে ডান পা দিয়ে শমসেরের বিশেষ অঙ্গে লাথি মারেন। আঘাতের ফলে শমসের মাটিতে পড়ে যান এবং তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ সুপার আরো জানান, পরে মোস্তফা লাইননের রশি দিয়ে মৃত শমসেরের হাত বাঁধে এবং গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে লাশ সেখানে ফেলে চলে আসেন। পরেদিন লোকজন শমসেরের লাশ স্থানীয় লোকজন দেখে পুলিশে খবর দিলে উদ্ধার করে। পরে সদর থানায় মামলা হলেও পিবিআই তদন্ত শুরু করে হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।



সাতদিনের সেরা