kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ মাঘ ১৪২৮। ২৫ জানুয়ারি ২০২২। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

আমতলীতে জমে উঠেছে গরিবের শীতবস্ত্রের বাজার

'গতবারের ১০০ টাকার কাপড় এবার ৩০০ টাকা'

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৮:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'গতবারের ১০০ টাকার কাপড় এবার ৩০০ টাকা'

দিন যত সামনে যাচ্ছে শীতের প্রকোপ ততটাই বাড়ছে। এ কারণে শীত নিবারণে গরম কাপড়ের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বরগুনার আমতলী পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারগুলোতে গরিবের শীত বস্ত্রের বাজার হিসেবে পরিচিত ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে বেচা বিক্রি জমে উঠছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার অসহায় ও গরিব মানুষরা।

বিজ্ঞাপন

গত বছরের তুলনায় এসব শীতবস্ত্রের দাম অনেকটা বৃদ্ধি পাওয়ায় হতাশ হচ্ছেন অনেক ক্রেতা।

উপজেলার বিভিন্ন স্থানের গ্রাম, গঞ্জে, হাট-বাজারে এবং আমতলী পৌর শহরের সরকারি কলেজের পেছনের সড়কে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শীতবস্ত্রের বাজারসহ বিভিন্ন ফুটপাতে ও (ভ্রাম্যমাণ) ভ্যান গাড়িতে করে বাহারি রঙের শীতবস্ত্র বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী এসব শীতবস্ত্রের দোকানে ছোট-বড়দের জ্যাকেট, সোয়েটার, কোট, মাফলার, হাত মোজা, টুপিসহ বিভিন্ন ধরনের শীতবস্ত্র মিলছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও গরিবদের জন্য এসব দোকানে পুরাতন শীতবস্ত্র স্বল্পমূল্যে পাওয়া গেলেও গত বছরের তুলনায় এবার এসকল কাপড়ের দাম কিছুটা বাড়তি। মূলত যাদের বেশী টাকা দিয়ে নতুন গরম কাপড় কেনার সার্মথ্য নেই তারাই এসব শীতবস্ত্রের দোকানে গিয়ে পুরাতন গরম কাপড় ক্রয় করেন।

আমতলী সরকারি কলেজের পিছনে সড়কের অস্থায়ী বাজারে শীতবস্ত্র কিনতে আসা ছলেমান মিয়া নামের এক ক্রেতা বলেন, আমরা তো গরিব মানুষ, আমাদের তো বেশী দামে নতুন গরম কাপড় কেনার সামর্থ নেই। তাই শীত নিবারণে আমাদের এই গরিবের বাজারে আসছি। গত বছর এই বাজার থেকে যে কাপড়, ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় ক্রয় করেছি সেই কাপড় এবার বিক্রেতারা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা দাম চাচ্ছে। আমাদের মতো নিম্ন বিত্তদের জন্য এমন দামে কাপড় কেনা কষ্টদায়ক।

আরেক ক্রেতা গৃহিনী সুফিয়া বেগম জানায়, এবার শীতে কাপড়ের দাম বাড়ায় অনেক দোকান ঘুরেও সাধ্যের মধ্যে আমার ও বাচ্ছাদের জন্য কোনো গরম কাপড় কিনতে পারছি না। আমার মতো অনেকে কাপড় কিনতে এসে দামের কারণে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

শীতবস্ত্রের বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী মজিবুর রহমান বলেন, মহামারি করোনার কারণে বাইরের দেশ থেকে এখনো কোনো গরম কাপড় দেশে আসেনি। গত বছর এমন সময় দিনে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা বেচা-বিক্রি করেছি কিন্তু এ বছর দিনে ১ হাজার টাকাও বেচা-বিক্রি হয় না। এ ছাড়া দেশীয় গরম কাপড়ের দাম একটু বেশি ফলে ক্রেতাদের বোঝানো ও কাপড় বিক্রি করতে নানা সমস্যা হচ্ছে।  



সাতদিনের সেরা