kalerkantho

রবিবার । ৯ মাঘ ১৪২৮। ২৩ জানুয়ারি ২০২২। ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

রাঙামাটিতে একজনকে হত্যা, গুলিবিদ্ধ মরদেহের ছবি ছড়াল সোশাল মিডিয়ায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি    

৩০ নভেম্বর, ২০২১ ১৪:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাঙামাটিতে একজনকে হত্যা, গুলিবিদ্ধ মরদেহের ছবি ছড়াল সোশাল মিডিয়ায়

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে মৃতদেহের এই ছবিটি

রাঙামাটি সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নে সন্ত্রাসী হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম আবিষ্কার চাকমা (৪০)। তিনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ‘সশস্ত্র রাজনীতি’র সাথে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করছে একাধিক অসমর্থিত সূত্র।

সূত্রের দাবি, আজ মঙ্গলবার ভোররাতে বন্দুকভাঙ্গায় একটি বাসায় সোফায় বসা অবস্থায় তাকে গুলি করে হত্যা করে চলে যায় একটি সশস্ত্র গ্রুপ।

বিজ্ঞাপন

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে একটি বেড়ার ঘরে সোফার ওপর তার গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ দেখা যায়। মৃতদেহের সামনের টেবিলে সিগারেটের প্যাকেট ও মোবাইল চার্জার ছিল। ঠিক কিভাবে কারা ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছেন সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নিহত ব্যক্তি আবিষ্কার চাকমা বলে নিশ্চিত করছেন একাধিক সূত্র।

রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোষ জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন মারা গেছেন, এমন খবর পেয়ে কোতয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। তারা ফিরে এলে বিস্তারিত জানাতে পারবো। স্থানটি দুর্গম হওয়ায় একটু সময় লাগবে। নিহতের নাম পরিচয় সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি তিনি।  

বন্দুকভাঙ্গার ইউপি চেয়ারম্যান বরুন কান্তি চাকমা জানিয়েছেন, আমার ইউনিয়নের কিচিং আদাম এলাকায় আবিষ্কার চাকমা নামে একজনকে মানিক্য চাকমার বাসায় কে বা কারা গুলি করে হত্যা করেছে বলে শুনেছি। নিহত ব্যক্তি কোনো দল করতেন কিনা আমি জানি না। এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানি না।

এই বিষয়ে কথা বলার জন্য নানাভাবে যোগাযোগ করেও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির দায়িত্বশীল কারো সাথেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের যোগাযোগের বাইরে আছেন সংগঠনটির দায়িত্বশীলরা। অন্য ঘটনার মতো এই ঘটনায় এই রিপোর্ট লেখা অবধি কোনো ই-মেইল বার্তাও পাঠায়নি সংগঠনটি।  

প্রসঙ্গত, বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নটি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি নিয়ন্ত্রিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। তবে গত শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) ওই এলাকায় ইউপিডিএফের একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে একে-৪৭ রাইফেলসহ তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছিল যৌথবাহিনী।  
 
 



সাতদিনের সেরা