kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচন

কালিয়াকৈরে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি   

২৫ নভেম্বর, ২০২১ ০০:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কালিয়াকৈরে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের নৌকা ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা-সংঘর্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কে এম ইব্রাহীম খালেদ ও মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল আলীম গ্রুপের সঙ্গে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কালিয়াকৈর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এলাকাবাসী, উপজেলা নির্বাচন অফিস ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৮ নভেম্বর কালিয়াকৈর পৌরসভা ও উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়ে বুধবার সকালে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে উপজেলা পরিষদের হলরুমে মতবিনিময়সভা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এ সময় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা দিলেও বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আটাবহ ইউনিয়নে নৌকার মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কে এম ইব্রাহিম খালেদ ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল আলীমের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সংঘর্ষের ঘটনায় সোহরাব হোসেন, সোহান শাহরিয়ার হিমেল, মালেক দেওয়ানসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আলীম অভিযোগ করে বলেন, নৌকার প্রার্থীর লোকজন আমার প্রচারণায় বাধা ও কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করেছে। তাদের হামলায় আমার বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে সোহরাব হোসেন, সোহান শাহরিয়ার হিমেল, মালেক দেওয়ানকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 
নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কে এম ইব্রাহিম খালেদ বলেন, মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী আমার দুটি নির্বাচনী অফিসে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছেন। বাধা দিতে গেলে আমার কয়েকজন কর্মীকে মারধর করে আহত করেছেন।

কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী মো. ইস্তাফিজুল হক আকন্দ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা