kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

পরাজিত প্রার্থীর কর্মীর হাত ভেঙে দিল চেয়ারম্যানের কর্মীরা

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১৫ নভেম্বর, ২০২১ ২১:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরাজিত প্রার্থীর কর্মীর হাত ভেঙে দিল চেয়ারম্যানের কর্মীরা

বগুড়ার শেরপুরে কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সর্মকরা পিটিয়ে পরাজিত প্রার্থীর কর্মী দুই ভাইকে আহত করেছে। এরমধ্যে একজনের ডান হাত ভেঙে গেছে। এ সময় দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল রবিবার (১৪ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার ওই ইউনিয়নের গোসাইবাড়ী কলোনি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার (১৫ নভেম্বর) ভুক্তভোগী কুসুম্বী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা যায়, গত ১১ নভেম্বর দ্বিতীয়ধাপে অনুষ্ঠিত উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী জুলফিকার আলী সঞ্জু নৌকা ও স্বতন্ত্র বিএনপির প্রার্থী আলহাজ শাহ আলম পান্না মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন স্থানীয় গোসাইবাড়ী কলোনি গ্রামের ইউনিয়ন আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম ও তার ভাই মাসুদ রানা। কিন্তু তাদের দলীয় নৌকা মার্কার প্রার্থী পরাজিত হন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিজয়ী বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারপিট করাসহ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

হামলায় আহত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম বলেন, বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীর ১০-১২ জন কর্মী তার ওপর চড়াও এবং মারধর করে। একপর্যায়ে তার চিৎকারে ছোট ভাই মাসুদ রানা এগিয়ে আসে। এরপর হামলাকারীরা তাদের দুই ভাইকে বেধড়ক মারপিট করে পাকা সড়কের ওপর ফেলে দেয়। এ সময় তার কাছে থাকা ব্যবসার প্রায় দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।

অভিযোগ অস্বীকার করে বিজয়ী চেয়ারম্যান আলহাজ শাহ আলম পান্না বলেন, এই হামলা ও মারপিটের ঘটনায় তার কোনো কর্মী-সমর্থকরা জড়িত নেই। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারের নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।

শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এ প্রসঙ্গে বলেন, হামলা-মারপিটের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে ঘটনায় জড়িত কাউকে না পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগটি তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা