kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

স্বাভাবিক প্রসবে জন্ম নিল পাঁচ কেজি ওজনের শিশু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

১৪ নভেম্বর, ২০২১ ২৩:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বাভাবিক প্রসবে জন্ম নিল পাঁচ কেজি ওজনের শিশু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বাভাবিক প্রসবের (নরমাল ডেলিভারি) মাধ্যমে পাঁচ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের এক শিশু জন্ম নিয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য মতে, স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে ওই শিশুর অনেক ওজন বেশি। তবে শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ আছে।

একটি সূত্র জানায়, এর আগে ২০০৭ সালে রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে ছয় কেজি ওজনের শিশু জন্ম নেয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে চলতি বছরের ২ এপ্রিল পাঁচ কেজি সাত শ গ্রাম ওজনের একটি শিশু জন্ম নেয়। তবে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ওই দুই শিশু জন্ম নেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌর এলাকার ট্যাংকেরপাড়ের সুজন মিয়ার স্ত্রী মুন্নি আক্তার রবিবার (১৪ নভেম্বর) সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। দুপুর দেড়টার দিকে ওই প্রসূতি যে মেয়ে শিশুর জন্ম দেন তার ওজন পাঁচ কেজি এক শ গ্রাম। স্বাভাবিক প্রসবেই শিশুটি জন্ম নেয়।

হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স স্মৃতি রানী রায় জানান, আগে থেকেই জানা ছিল শিশুর ওজন বেশি। এতো ওজন শিশুর স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল) করার কথা শুনে প্রথমে খুব ভয় পেয়ে যান ও টেনশন কাজ করছিল। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক ফৌজিয়া আক্তারের দিক নির্দেশনায় স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে ফুটফুটে মেয়ে শিশু জন্মগ্রহণ করে। মা ও শিশু দুজনই সুস্থ আছেন। বিকেলে তারা বাড়ি চলে গেছেন।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক  ফৌজিয়া আক্তার জানান, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বেশি ওজনের বাচ্চাদের বলা হয় ম্যাক্সোসোনিয়া। এ ধরনের বাচ্চা সাধারণত শিশুর মা-বাবা ডায়াবেটিক আক্রান্ত হলে অথবা শিশুর মা-বাবার বেশি ওজন হলে এমন শিশুর জন্ম হতে পারে। তবে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো এ ধরনের কোনো লক্ষণ শিশুর মা-বাবার নেই। তবে মা-বাবার গ্রুথ বেশি হওয়ায় এমন হতে পারে।

তিনি আরো জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে মিডওয়াইফ (গাইনি বিষয়ে উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নার্স) ৯ জন নার্স রয়েছেন। তারা নরমাল প্রসবে খুব অভিজ্ঞ। প্রসূতির পরিবারও নরমাল ডেলিভারিতে সায় দিলে কাজটি সহজ হয়ে যায়। 



সাতদিনের সেরা