kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৩০ নভেম্বর ২০২১। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

সিঙ্গাইরে নৌকা প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি   

৬ নভেম্বর, ২০২১ ০২:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিঙ্গাইরে নৌকা প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ

রাতের আঁধারে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়ার (প্রতীক নৌকা) নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ভাটিরচর ঘেলেপাড়া ব্রিজের পূর্বপাশে অবস্থিত নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম ভূইয়ার অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও তার লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন শামীমের দাবি, পরাজয় নিশ্চিত জেনে নৌকার প্রার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম ভূইয়া ও তার লোকজন নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে আমাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে নানা ষড়যন্ত্র করছেন।

থানা প্রশাসন, স্থানীয় লোকজন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কে বা কারা ধল্লা ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম ভূইয়ার ভাটিরচর ঘেলেপাড়া ব্রিজের পূর্বপাশে অবস্থিত নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করে। স্থানীয় বাসিন্দা রাজু আহম্মেদ খোরশেদ আলম ও শহিদুল ইসলামসহ অনেকেই গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, রাত ৩টার দিকে নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের আওয়াজ শুনে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। সেখানে পৌঁছানোর আগেই মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন শামীম ভোটের মাঠে টিকতে না পেরে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছেন। ধারণা করছি, তারই অংশ হিসেবে শামীম তার লোকজন আমার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে নৌকার প্রার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ও তার লোকজন বেসামাল হয়ে গেছে। পরাজয় নিশ্চিত জেনে অঘটন ঘটিয়ে আমাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে নানা ষড়যন্ত্র করে আসছেন তারা। এরই অংশ হিসেবে ভাঙচুর করা হয় আমার নির্বাচনী ক্যাম্প। পিটিয়ে আহত করা হয় ছয়জন কর্মীকে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এখন আবার নিজেরাই রাতের আঁধারে নৌকার ক্যাম্প ভাঙচুর করে আমাকে ও আমার লোকজনকে হয়রানি করছেন। ঘটনার রাতে নৌকার প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম তার কর্মীদের ফোনালাপ খতিয়ে দেখলেই ক্যাম্প ভাঙচুরের প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে।

থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) শেখ মো. আবু হানিফ বলেন, খবর পেয়ে শুক্রবার বিকালে পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান সহকারী পুলিশ সুপার (সিঙ্গাইর সার্কেল) রেজাউল হক, ওসি সফিকুল ইসলাম মোল্যা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে এখনো (শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত) কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 



সাতদিনের সেরা