kalerkantho

সোমবার । ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৬ ডিসেম্বর ২০২১। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

'কুমিল্লায় মন্দিরে কোরআন রাখার ঘটনায় বিএনপি জড়িত'

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

৩০ অক্টোবর, ২০২১ ২০:০৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'কুমিল্লায় মন্দিরে কোরআন রাখার ঘটনায় বিএনপি জড়িত'

চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক ও পারিবারিকভাবে একঘরে করা হবে। দুস্কৃতিকারীদের এমন বিচার করা হবে যাতে কোনোদিন মাথাচাড়া দিতে না পারে। এজন্য যার যার পরিবারকে নিয়ে সজাগ থাকতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাতে বিএনপি জড়িত বলে তিনি জানান।

আজ শনিবার দুপুরে মাদারীপুরের শিবচরের দক্ষিণ বহেরাতলা ইউনিয়নের বহেরাতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মাদারীপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আ. লতিফ মোল্লা, পৌরসভার মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাজাহান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম, পৌরসভা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শংকর ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিন চিফ হুইপ উত্তর বহেরাতলা ইউনিয়নের হাজী বাছের মৌলভী উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন, টেকেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন, দক্ষিণ বহেরাতলা ইউনিয়নের বহেরাতলা আর আই ডি দাখিল মাদরাসার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন।

চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি শুরু হয়েছে। মসজিদে মানুষ হত্যা হচ্ছে, মন্দিরে গির্জায় হামলা হচ্ছে। যারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কাজ করে তারা কিন্তু ধর্মের ভক্ত না। তারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার জন্য কৌশল অবলম্বন করে। কুমিল্লায় মন্দিরে যে ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা আপনারা দেখেছেন। পবিত্র কোরআন শরীফ কিভাবে রাখা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রে বিএনপি জড়িত ছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা সৃষ্টি করার। এর মাধ্যমে তারা সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। প্রমাণিত হয়েছে বিদেশে বসে কোন কোন নেতা ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

চিফ হুইপ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকায় শিবচরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরো বলেন, যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। শিবচরের মাটিতে যদি কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি কোনো ধরনের অপকর্ম করে তাহলে হামলাকারীদের সামাজিক ও পারিবারিকভাবে একঘরে করা হবে। দুস্কৃতিকারীদের এমন বিচার করা হবে যাতে ভবিষ্যতে কোনোদিন মাথাচাড়া দিতে সাহস না পায়। এজন্য যার যার ছেলে মেয়ে পরিবারকে নিয়ে সজাগ থাকতে হবে। সকল ধর্ম বর্ণ সবাইকে নিয়ে শিবচরকে আমরা বাংলাদেশের মধ্যে আধুনিক ও উন্নত হিসেবে গড়ে তুলব।



সাতদিনের সেরা