kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২ ডিসেম্বর ২০২১। ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

ফি কমাতে আন্দোলনে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি   

২৮ অক্টোবর, ২০২১ ১৬:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফি কমাতে আন্দোলনে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফি কমানোর দাবিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলন শুরু করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের দাবি মেনে নিয়ে নোটিশ আকারে তা প্রকাশ করতে হবে। তার আগে  আন্দোলন বন্ধ হবে না এবং যথারীতি একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন তালাবদ্ধ থাকবে। প্রশাসন দাবি না মানলে ভবিষ্যতে আরো কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের দাবি অনুযায়ী প্রতি সেমিস্টারের বেতন ১২০০ টাকার বদলে ৬০০ টাকা, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ২০০ টাকার বদলে ২০ টাকা, ছাত্রকল্যাণ ১৫০ টাকার বদলে ৫০ টাকা, আইডি কার্ড ৪০০-এর বদলে ৫০, চিকিৎসা ফি ২০০-এর বদলে ৫০, পরিবহন ফি ৬০০-এর বদলে ৩০০, রোভার স্কাউটস ও বিএনসিসি ১০০-এর বদলে ৪০, সিলেবাস ১৫০ টাকার বদলে ৫০ টাকা করতে হবে। আর কম্পিউটার ও ইন্টারনেট, স্টুডেন্ট গাইডেন্স অ্যান্ড কাউন্সেলিং, বিভাগ উন্নয়ন, কেন্দ্র ফিসহ সব অমূলক ফি বাতিল করতে হবে। এ ছাড়া প্রতি ক্রেডিট ফি ৫০, প্রবেশপত্র ফি ৫ টাকাসহ হলের সিট ভাড়া ৭৫ এবং সংস্থাপন ফি ৭৫ টাকা করতে হবে।

অন্যদিকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন তালাবদ্ধ রাখার ঘোষণায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে আগামী ১ নভেম্বর গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটভুক্ত বাণিজ্য অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে।

এ বিষয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা ভর্তি পরীক্ষা ব্যাহত করতে চাই না। আশা করি, তার আগে প্রশাসন আমাদের দাবি মেনে নেবে। তবে দাবিগুলো না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কিউ এম মাহবুব বলেন, ‘আজ আমি তাদের সঙ্গে ৩-৪ মিনিট কথা বলব এবং মঙ্গলবার বিস্তারিত আলোচনা করব। বিষয়টি রিজেন্ট বোর্ডে উত্থাপন করতে হবে, তাই পুরো বিষয়টা সমাধানে হয়তো দুই সপ্তাহের মতো সময় লাগতে পারে।'



সাতদিনের সেরা