kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রেমিকের চাপাতির আঘাতে প্রেমিকা আহত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২৬ অক্টোবর, ২০২১ ১৮:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রেমিকের চাপাতির আঘাতে প্রেমিকা আহত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রেমিকাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছে হৃদয় (১৮) নামে এক প্রেমিক। ওই প্রেমিকা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ছয়আনি বকশিয়া গ্রামে। বর্তমানে ওই ছাত্রী টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে, পুলিশ অভিযুক্ত প্রেমিককে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

মামলার বিবরণ ও স্কুলছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্কুলছাত্রী (রত্না) উপজেলার ছয়আনি বকশিয়া গ্রামের তুলা মিয়া। দুই বছর আগে একই গ্রামের টিক্কা মিয়ার ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। গত দুই মাস আগে দুই পরিবার বিষয়টি অবগত হয়। পরে  এ বিষয় নিয়ে দুই পরিবার নিয়ে সালিশি বৈঠক হয়। বৈঠকে দুই বছর পর পারিবারিকভাবে বিয়ের আয়োজন করার লিখিত সমঝোতা হয়।

সালিশী বৈঠকের কিছু দিন পর থেকেই প্রেমিক হৃদয় ওই স্কুলছাত্রীকে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে চাপ দিতে থাকেন। তার অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাহির নির্দেশ দেন। কিন্তু ওই ছাত্রী হৃদয়ের কথা না শুনে পড়ালেখা চালিয়ে যান। কথা না শোনায় ক্ষিপ্ত হন প্রেমিক হৃদয়। সে ওই ছাত্রীকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এরই এক পর্যায়ে ছাত্রীটি হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে আরোও ক্ষিপ্ত হন হৃদয়।

ক্ষুদ্ধ হৃদয় গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীর বাড়িতে যান। বাড়ির অন্যরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই হৃদয় ওই ছাত্রীকে (প্রেমিকা) চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্বক আহত করে। এ সময় পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসলে হৃদয় সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রীকে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর নানা ইনছান আলী মল্লিক বাদী হয়ে গত রবিবার হৃদয়কে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পুলিশ গতকাল সোমবার প্রেমিক হৃদয় গ্রেপ্তার করে। ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাহারুল ইসলাম সরকার জানান, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



সাতদিনের সেরা