kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

সড়কের পাশে আর বড় গাছ লাগানো হবে না

বরিশাল অফিস    

২৬ অক্টোবর, ২০২১ ০৮:২২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সড়কের পাশে আর বড় গাছ লাগানো হবে না

বাংলাদেশের সড়কগুলোর পাশে আর কোনো বড় গাছ লাগানো হবে না। পরিবেশের ভারসম্য রক্ষায় লাগানো হবে গুল্ম জাতীয় গাছ।

গতকাল সোমবার (২৫ অক্টোবর)  'ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী–কুয়াকাটা (এন-৮) জাতীয় মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ' শীর্ষক প্রকল্পের বরিশাল শহর অতিক্রম অংশের এলাইনমেন্ট নির্ধারণের জন্য আয়োজিত অংশীজন সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সড়ক ও পথ বিভাগের বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু হেনা মো. তাকের ইকবালের সভাপতিত্বে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন মহাসড়ক বিভাগের উপ-সচিব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মো. শামিমুজ্জামান এ তথ্য জানান।

সোমবার সকাল ১১টায় নগরীর সওজ বরিশাল জোন অফিসের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপ-সচিব মো. শামিমুজ্জামান বলেন, বড় আকারের গাছ সড়গুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সড়ক নির্মাণ এবং সংস্কার করা হলে গাছের পাতার পানি ও শিকড়ের জন্য বেশিদিন টেকে না। রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হলে নির্বিঘ্ন সড়ক যোগাযোগে বাধাগ্রস্ত হয়। এতে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বাড়ে। তাই সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা হলো এখন থেকে সড়ক-মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক, জেলা সড়কসহ সওজের আওতাধীন সড়কের পাশে বড় গাছ রোপণ করা হবে না। তবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুল্মজাতীয় গাছ রোপণ করা হবে।

ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ফোর লেন সড়ক নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সর্ম্পকে উপ-সচিব বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে শুরু করে কুয়াকাটা পর্যন্ত প্রায় ২৩৬ দশমিক ৭৪ কিলোমিটার মহাসড়কে আশপাশে ভূমি মালিকানা নিয়ে কিছুটা জটিলতা থাকায় অধিগ্রহণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে আগামী বছরের যে কোনো সময়েই  ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা (এন-৮) জাতীয় মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ শুরু হবে।

বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় মধ্যে থাকা ১১ দশমিক ৩০ কিলোমিটারের জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, নগরবাসীর দাবি, শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে ফোরলেন সড়কটি যেন মূল শহরের বাহির থেকে যায়। সিটি করপোরেশন এলাকার অংশ যাতে বাইপাস সড়ক হয়, সেই লক্ষ্যে দুই থেকে তিন বছর আগে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। তার পর সিটি করপোরেশ এলাকার ভূমি অধিগ্রহণ কিছুটা কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। এ ক্ষেত্রে বরিশাল সিটি মেয়রও  সব ধরনের সহায়তা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ শুরু হলে আগামী বছরের যে কোনো সময় ফোরলেন সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সওজ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিন্টু রঞ্জন দেবনাথ, রোড জিজাইন ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী বুলবুল হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ মাহমুদ সুমন, বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান এবং জেলা প্রশাসনের, বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি  দপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণামান্য ব্যক্তিরা। 



সাতদিনের সেরা