kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৩০ নভেম্বর ২০২১। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

মধ্য রাতে শেষ নিষেধাজ্ঞা, জেলে পল্লীগুলোতে উৎসবের আমেজ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২৫ অক্টোবর, ২০২১ ২১:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মধ্য রাতে শেষ নিষেধাজ্ঞা, জেলে পল্লীগুলোতে উৎসবের আমেজ

সোমবার (২৫ অক্টোবর) মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকারে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। রাত ১২টার পরে বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার জেলেরা ট্রলার ও নৌকা নিয়ে সাগর ও নদ-নদীতে ইলিশ শিকারে যাত্রা করবেন। এরই মধ্যে সকল প্রস্তুতি তারা শেষ করেছেন।

প্রজনন মৌসুমে সরকার গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত সাগর ও নদ-নদীতে ইলিশ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া জেলেরা বাড়িতে অলস সময় কাটান। ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে দু’উপজেলার জেলে পল্লীগুলোতে। এখন জেলে পল্লীগুলোতে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। ইলিশ শিকারে যাত্রার জন্য ট্রলার, নৌকা, জাল প্রস্তুত করার পাশাপাশি শেষ মুহূর্তে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করছেন তারা।

আমতলী ও তালতলী উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পায়রা (বুড়িশ্বর) নদী সংলগ্ন জেলে পল্লীর একাধিক জেলেদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এরই মধ্যে সাগর ও স্থানীয় নদ-নদীতে ইলিশ শিকারে যাওয়ার সকল প্রস্তুতি তারা সম্পন্ন করেছেন।

গুলিশাখালী নাইয়াপাড়ার জেলে রফিক বিশ্বাস জানান, মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার করিনি।

তালতলীর জয়ালভাঙ্গা এলাকার জেলে আ. রহমান, সোবাহান মিয়া বলেন, প্রজনন মৌসুমে সাগর ও নদ-নদীতে নিষেধাজ্ঞার ফলে মাছ শিকার করতে না পারায় অনেক জেলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জেলে হয়েছে ঋণগ্রস্ত।

তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ২২ দিনের অবরোধকালীন সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে আয়ের পথ বন্ধ হওয়া ক্ষতিগ্রস্ত নিবন্ধিত ৬৭৪৬ জন জেলেদের মাঝে বিশেষ ভিজিএফ’র চাল খাদ্য সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

আমতলী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার বলেন, গত ৪ অক্টোবর থেকে আজ ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ শিকারে বিরত থাকা উপজেলার নিবন্ধিত ৬৮৭৯ জন জেলে আজ মধ্যরাতে ইলিশ শিকারে নদী-সাগরে নামবেন। 



সাতদিনের সেরা