kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

কলেজছাত্রীকে অপহরণ চেষ্টা মামলা, দুই ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০২১ ২২:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কলেজছাত্রীকে অপহরণ চেষ্টা মামলা, দুই ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

প্রতীকী ছবি

আশাশুনিতে ছাত্রী অপহরণ চেষ্টা মামলায় দুই ছাত্রলীগ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সাতক্ষীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ নেতা হলেন, আশাশুনির শ্রীউলা ইউনিয়নের নাসিমাবাদ গ্রামের ইদ্রিস ফকিরের ছেলে ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান পল্টু এবং সিরাজুল গাজীর ছেলে ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল গাজী।
 
মামলা সূত্রে জানা গেছে, হিজলিয়া গ্রামের সোহরাব গাজীর কলেজছাত্রী মেয়েকে (১৭) বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল লাঙ্গলদাড়িয়া গ্রামের মিজানুর গাজীর ছেলে ইব্রাহীম গাজী। এর জের ধরে গত ১৫ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে লাঙ্গলদাড়িয়া রাস্তার ওপর একা পেয়ে ইব্রাহীম গাজী ও জুয়েল গাজী কলেজছাত্রী মেয়েকে যৌন হয়রানি করে।

বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীর ভাই হুমায়ুন কবিরসহ অন্যরা প্রতিবাদ করলে তারা চলে যায়। পরের দিন ১৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীউলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান পল্টুর নেতৃত্বে ইব্রাহিম, জুয়েল গাজী, মৃত আনছার গাজীর ছেলে মিজানুর গাজী, কলিমাখালী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রফি সরদার, আব্দুস সবুর সরদার, আব্দুল আজিজ সরদারের ছেলে মিন্টু সরদার, এরমান সরদারের ছেলের উজ্জল সরদার, আব্দুল জব্বারের ছেলে সুন্দর আলী ও এফাজ উদ্দীনের ছেলে আব্দুল আজিজসহ ৮/১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সোহরাব হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তার মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণ করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এতে ভুক্তভোগীর ভাই হুমায়ুন কবির বাধা দিতে গেলে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলায় মঙ্গলবার আশাশুনি সহকারী জজ আদালতে উল্লেখিত আসামিদের মধ্যে আজিজুর রহমান পল্টু ও সুন্দর আলী জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা সোহরাব হোসেন জানান, বর্তমানে মামলা তুলে নিতে আসামিদের স্বজনরা বিভিন্ন মাধ্যমে খুন, জখমসহ হুমকি ধামকি প্রদর্শন করছেন। তিনি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। 



সাতদিনের সেরা