kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখার অঙ্গীকার আলেম সমাজের

'ব্যক্তির দোষ পুরো সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো উচিত নয়'

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০২১ ২১:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ব্যক্তির দোষ পুরো সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো উচিত নয়'

হবিগঞ্জের আলেম ওলামারা হবিগঞ্জ জেলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে ঐতিহ্য রয়েছে তা অক্ষুণ্ণ রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। আজ সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের আহ্বানে এক মতবিনিময় সভায় তারা এই অঙ্গীকার করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জের উপ-পরিচালক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। ইমাম ও আলেম ওলামাদেরকে সাধারণ লোকজন অনুসরণ করে। তাই সমাজে শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। কুমিল্লার ঘটনা সেখানেই শেষ হওয়া উচিত ছিল। কোনো ব্যক্তির দোষ পুরো সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো কোনোভাবেই উচিত নয়। আমাদের ইমামরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি কোথাও কোনো ঘটনা হলে তা প্রশাসনকে অবগত করাও ইমামদের দায়িত্ব।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলি বলেন, হবিগঞ্জবাসী এই সময়ে চরম ধৈয্যের পরিচয় দিয়েছেন। যার কারণে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ভালো আছেন। এভাবে সকলে মিলেই জেলাকে ভালো রাখতে হবে।

মতবিনিময় সভায় আলেম সমাজ বলেন, পূজা এবং পূজামণ্ডপ আমাদের আমানত। আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা হলো অন্যধর্মের মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ধর্ম পালন করতে পারে তা নিশ্চিত করা। তবে কেউ যখন উসকানিমূলক কথা বলে এবং কাজ করে তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। যারা এ ধরনের কাজ করে তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলে সমাজে বিশৃঙ্খলা থাকবে না। ইদে মিলাদুন্নবীর কর্মসূচিতেও কেউ যাতে উসকানিমূলক কিছু করতে না পারে তার জন্য সবাই সচেতন থাকবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

জেলা প্রশাসকের তাৎক্ষণিক নোটিশে দুইশতাধিক আলেম, ওলামা ও বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার সনতন ধর্মালম্বী নেতৃবৃন্দকে নিয়েও মতবিনিময় করবে জেলা প্রশাসন।



সাতদিনের সেরা