kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

অ্যাম্বুলেন্স চালক হারুনের কাছে জিম্মি রোগীরা

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০২১ ১৭:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অ্যাম্বুলেন্স চালক হারুনের কাছে জিম্মি রোগীরা

ঢাকার ধামরাই উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালকের হাতে চিকিৎসকসহ সাধারণ রোগী ও তার স্বজনরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। চিকিৎসাধীন অথবা জরুরি বিভাগের কোনো রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সরকারি কোনো হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিলে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক হারুন অর রশিদ রোগী কিংবা তার স্বজনদের কাছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা অভিযোগ করেও কোনো কাজ হয়নি।

ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জানা গেছে, রবিবার রাতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আনারুল, আবদুল মান্নান ও মিজানুর রহমান গুরুতর আহত হন।

বিজ্ঞাপন

আহতাবস্থায় তারা রাত নয়টার দিকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে যান। আনারুল হকের পা ভেঙে গেছে বিধায় জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাজ নাহার তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কক্ষে অ্যাম্বুলেন্স চালক হারুনের দেওয়া মোবাইল ফোনে ডেকে আনেন রোগীর স্বজন আবু হাসান। এরপর আবু হাসানের কাছে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া বাবদ তিন হাজার টাকা দাবি করেন। অথচ ধামরাই থেকে ঢাকার সরকারি ভাড়া ৬৫০ টাকা।

এ বিষয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালক হারুন বলেন, অ্যাম্বুলেন্সটি এখনো সরকারিভাবে চালানো নিষেধ। ঢাকা যেতে এক হাজার আটশত টাকা তেল খরচ হয়। তাই অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে থাকি।

রবিবার রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাজ নাহার বলেন, চালক হারুন ঢাকা গেছে আমাকে বলে যায়নি। এমনকি মুভমেন্ট রেজিস্টার মেইনটেইনও করেননি হারুন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকু বলেন, এর আগেও চালক হারুন রোগী  ও তাদের স্বজনদের জিম্মি করে দুই থেকে তিন হাজার টাকা ভাড়া নিয়েছে। বিষয়টি আমি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নুর রিফফাত আরার কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছি। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুর রিফফাত আরা বলেন, হারুনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া অভিযোগের ঘটনা সত্য। তাকে এর আগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  



সাতদিনের সেরা