kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৩০ নভেম্বর ২০২১। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

সুদে নিয়েছেন আড়াই লাখ, এখন শোনেন ১০ লাখ!

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

১৬ অক্টোবর, ২০২১ ১৮:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুদে নিয়েছেন আড়াই লাখ, এখন শোনেন ১০ লাখ!

সুদের ২০ হাজার টাকা পাওনা দাবি করে ঋণ গ্রহীতার দুটি গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কৃষক এবাদুল হক (৪৫)। অভিযুক্ত দাদন ব্যবসায়ী লিটন মিয়া ডিমপিতে কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছেন।

ভুক্তভোগি কৃষক জানান, স্ট্যাম্পে লিখে মাসে আট হাজার টাকা সুদে আড়াই লাখ টাকা নেন তিনি। এর মধ্যে মোট টাকার ওপর ছয় মাস ২০ হাজার টাকা করে লাভ দিয়ে আসলের এক লাখ টাকা পরিশোধ করেন। বাকী দেড় লাখ টাকার লাভ দিয়ে দিয়ে আসছেন প্রতি মাসে। এর প্রায় চার মাস পর বাকী দেড় লাখও টাকাও পরিশোধ করে দেন। কিন্তু লাভের ৩০ হাজার টাকা বকেয়া হয়ে যায়।

এরপর দাদন ব্যবসায়ী লিটন মিয়া বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সালিস বসায়। সেখানে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। এই টাকা পরিশোধ করতে দুটি গরু বিক্রির পরিকল্পনা করেন এবাদুল হক। বিষয়টি জানতে পেরে বাড়িতে এগে গরু দুটি নিয়ে বিক্রি করে দেন অভিযুক্ত দাদন ব্যবসায়ী।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের কাছে বিচার চেয়েও কোনো প্রতিকার পাননি ভুক্তভোগী কৃষক। এক পর্যায়ে এক সপ্তাহ আগে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযুক্ত লিটন বলেন, সুদে নয় গরুর ব্যবসার জন্য আমি ও ভাই মিলে তাকে (এবাদুল) ১০ লাখ টাকা ধার দিয়েছি। ওই টাকা থেকে সে আমাকে প্রতিমাসে তিনভাগের দুইভাগ দিবে। কিন্তু সে সময় মতো পরিশোধ করে নাই। তাই এবাদুল গোপনে গরু বাজারে নিয়ে বিক্রির সময় টের পাই। পরে নিজেরাই গরু বিক্রি করে মোট টাকা থেকে মাইনাস করেছি। আরো ৪/৫ লাখ টাকা পাবো।

উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, এবাদুল ও লিটন পরস্পর খুবই কাছের মানুষ। সালিসে টাকার ঘটনা ফয়সালা হলেও লিটন মানেননি। এতোটুক বিষয় আমি জানি।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, এ ধরনের অভিযোগের কোনো ফলাফল থানায় দেওয়া সম্ভব নয়। তাই বাদীকে বলেছি আদালতে যাওয়ার জন্য।



সাতদিনের সেরা