kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আত্মগোপনে

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৪ অক্টোবর, ২০২১ ০০:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আত্মগোপনে

প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্বামী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে স্ত্রী লাবনি আক্তারকে (১৮) হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার গোড়াই টেকিপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে। বুধবার (১৩ অক্টোবর) পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

লাবনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ছোটনারিচাগারি গ্রামের লাল মিয়ার মেয়ে। 

পুলিশ সূত্র জানায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার আখিরাপাড়া গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে গোলাম মোস্তফা বাপ্পি (২৩) প্রেমের সম্পর্ক করে চার মাস আগে লাবনিকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর কিছুদিন তাঁরা বাপ্পির বড় ভাইয়ের বাড়িতে থাকেন। এরপর চাকরির উদ্দেশ্যে মির্জাপুরে আসেন তাঁরা। পরে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে বাপ্পি গোড়াই এলাকায় একটি কারখানায় চাকরি নেয়। চাকরির পর গোড়াই টেকিপাড়া এলাকার তোতা মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। এর মধ্যে শুরু হয় তাদের পারিবারিক কলহ।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পানি আনতে দেরি হওয়ায় বাপ্পি লাবনিকে মারধর করে। রাতের কোনো একসময় বাপ্পি লাবনিকে শ্বাসরোধে হত্যার পর রাত পৌনে ৪টার দিকে বাপ্পি লাবনির বড় ভাইকে লাবনি আত্মহত্যা করেছে বলে ফোনে জানায়। এর পর থেকেই বাপ্পি ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে রয়েছে।

বিয়ের পর থেকে লাবনি ও বাপ্পির মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত বলে লাবনির বড় ভাই রায়হান মিয়া পুলিশকে জানিয়েছেন। এ ঘটনায় রায়হান বাদী হয়ে বাপ্পিকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। 

দেওহাটা ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আইয়ুব আলী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় লাবনির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একমাত্র আসামি স্বামী বাপ্পিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



সাতদিনের সেরা