kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

পীরগাছায় ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন!

'আওয়ামী লীগের নৌকা আদম ব্যাপারীর কাছে চুরি হয়ে গেছে'

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি   

১০ অক্টোবর, ২০২১ ০৮:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'আওয়ামী লীগের নৌকা আদম ব্যাপারীর কাছে চুরি হয়ে গেছে'

দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকে রংপুরের পীরগাছায় একাধিক ইউনিয়নে নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

দলের ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে মনোনয়ন দেওয়ায় ঘোষিত প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে চলছে বিক্ষোভ মিছিল ও শোডাউনসহ বর্ধিত সভা। মনোনীত প্রার্থীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে পুনরায় ত্যাগী নেতাদের প্রার্থী ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে একাধিক ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দলীয় প্রার্থীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। এ সময় পুনরায় দলের ত্যাগী নেতাদের মধ্য থেকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার দাবি জানান নেতাকর্মীরা।

সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাম্বুলপুর ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রার্থিতা বাতিল ও নতুন প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক সরকার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন সরদার, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা নুরুজ্জামান, সোহরাব হোসেন মিঠু, আবুল কালাম আজাদ খোকা, যাদব চন্দ্র রায় প্রমুখ।

বর্ধিত সভায় বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের নৌকা আদম ব্যাপারীর কাছে চুরি হয়ে গেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে। যাকে নৌকা দেওয়া হয়েছে সে দলের কেউ না। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী ঘোষণা করায় তা প্রত্যাখ্যান করা হলো। ওই ইউনিয়নে বিদ্যুৎ কুমার রায়কে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এ ছাড়া উপজেলার একাধিক ইউনিয়নে বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলের মনোনয়ন দেওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দলীয় মনোনয়ন দেওয়া বিতর্কিত প্রার্থীদের বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থী ঘোষণারও খবর পাওয়া গেছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন বলেন, দলীয় প্রার্থী ঘোষণায় অনেক ত্রুটি হয়েছে। অনেকে দলের সঙ্গে সম্পর্কিত না থাকলেও তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। গত ৩০ বছর নিজ এলাকায় না থেকেও মনোনয়ন পেয়েছেন। দলীয় কর্মকাণ্ডে কোনো দিন উপস্থিত ছিলেন না তাদের হাতেও নৌকা উঠেছে। তার পরেও নৌকার বিপক্ষে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিতে হবে।



সাতদিনের সেরা