kalerkantho

শুক্রবার । ৬ কার্তিক ১৪২৮। ২২ অক্টোবর ২০২১। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

অধ্যক্ষের আসনে নাশকতা মামলার আসামি, ছাত্রলীগের প্রতিবাদ

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অধ্যক্ষের আসনে নাশকতা মামলার আসামি, ছাত্রলীগের প্রতিবাদ

নীলফামারীর জলঢাকায় স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি নাশকতা মামলার আসামি, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীরকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রদানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ।

জানা যায়, চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলার গোলমুন্ডা ফাজিল মাদরাসায় নাশকতা মামলার আসামি ও ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর তোজাম্মেল হককে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে ফুঁসে উঠে উপজেলা ছাত্রলীগ। এই নিয়োগ বাতিলের জন্য বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে গোটা উপজেলায় ছাত্রলীগের আহ্বানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অংশ নিতে মাইকে ব্যাপক প্রচারণা করা হয়। শেষ বিকালে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে  জিরো পয়েন্ট মোড়ে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হাদিউজ্জামান হাদীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগ আহ্বায়ক নজমুল কবির মুকুল। বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়া লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক,পৌর যুবলীগ যুগ্ন-আহ্বায়ক লাভলুর রশীদ, সেলিম রেজা, আজম সরকার প্রমূখ।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, জলঢাকায় যারাই সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সবার আমলেই পূণর্বাসিত হয়েছে মৌলবাদী দেশ বিরোধী জামায়াত এর দুর্ধর্ষ নেতারা। এবারেও একজন নাশকতা মামলার আসামি ও গোলমুন্ডা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীরকে নিয়োগ দেওয়া হলো। আওয়ামী লীগের যেসব  নেতা নেপথ্যে থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত আমরা তাদের ধিক্কার জানাই। ওই প্রতিষ্ঠানের দুইবারের সভাপতি মোতাক্কেত বিল্লাহ তিনিও জামায়াতের একজন রোকন। আমরা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই  নিয়োগ বাতিলের দাবি জানাই। এর ব্যত্যয় হলে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ তোজাম্মেল হক বলেন, আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ২৪ তারিখ আর যোগদান করেছি ২৭ তারিখ। এ ছাড়া আমার কোনো বক্তব্য নাই।

বিষয়টি নিয়ে গোলমুন্ডা ফাজিল মাদরাসা সভাপতি মোতাক্কেত বিল্লাহকে একাধিকবার মোবাইল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার ভৌমিক বলেন, ফাজিল মাদরাসার নিয়োগগুলোতে আমরা থাকি না। তাদেরকে কমিটি নিয়োগ দেয়। মাদরাসা অধিদপ্তর হতে একজন প্রতিনিধি আসে এবং আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রতিনিধি আসে। তারা এরকম নিয়োগ দিয়েছে, এতোটুকু আমি শুনেছি।



সাতদিনের সেরা