kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বাল্যবিবাহের কারণে কন্যা শিশুরা পিছিয়ে পড়ছে

লংগদু (রাঙামাটি) প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২০:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাল্যবিবাহের কারণে কন্যা শিশুরা পিছিয়ে পড়ছে

‘মেয়েরা যেন পিছিয়ে না থাকে, মেয়েরা যেন বঞ্চিত না হয়। মেয়েদের সামনে এগিয়ে নিতে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালন করা হয়। মেয়েরাও ছেলেদের সমান, ছেলে আর মেয়ের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নাই। কিন্তু বিগত দিনে সবাই মনে করতো মেয়ে জন্ম হওয়া একটা দুর্ভাগ্যের বিষয়। এটা এখন ভুল প্রমানিত হয়েছে। তবে এখনো আমাদের মেয়েরা অনেক কারণে পিছিয়ে আছে। বিশেষ করে বাল্য বিবাহের কারণে। গ্রামে এখনো আঠারো বছর হওয়ার আগেই মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয়। জাতীয় কন্যা শিশু দিবসের আলোচনা সভায় একথা বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাইনুল আবেদীন।

‘আমরা কন্যাশিশু প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো’ প্রতিপাদ্য বিষয়ের আলোকে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে লংগদুতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে  আজ বৃহস্পতিবার সকালে লংগদু পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মাইনুল আবেদীন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আরো বলেন,  বাল্যবিবাহ দেওয়া বর্তমানে বে-আইনি ও সামাজিক অপরাধ। একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ের মাধ্যমে তার সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথটি অবরুদ্ধ হয়ে যায়। এসময় ওই মেয়েটি মানসিক ও শারীরিক নানা চাপের মধ্যে থাকে। ফলে অনেক সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। অনেক কমবয়সী মা সন্তান জন্মদিতে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। 

আমরা আমাদের কন্যা সন্তানদের বিষয়ে আরো বেশি সচেতন হলে তাদের শিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এবং নারীরা অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে গেলে দেশ, সমাজ ও পরিবার এগিয়ে যাবে। তাই কন্যাশিশুকে শিক্ষিত ও যোগ্য করে তোলার জন্য তাকে তার স্বপ্নের পথে হাটতে দিতে হবে। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে পুরুষের পাশাপাশি নারীকেও সমানভাবে এগিয়ে যেতে হবে। জ্ঞানে, বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে, শিক্ষায় নারীরা এগিয়ে গেলে তবেই দেশ উন্নত হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে হলে নারীর হাতকে শক্তিশালী করার বিকল্প নাই’

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুবে ইলাহী, প্রবীন সাংবাদিক এখলাস মিঞা খান প্রমূখ।



সাতদিনের সেরা