kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আদালতে বিচারপ্রার্থীকে ছুরি মেরে লাখ টাকা ছিনতাই

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি    

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আদালতে বিচারপ্রার্থীকে ছুরি মেরে লাখ টাকা ছিনতাই

লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতপাড়ায় নোমান হোসেন দুলাল নামে এক বিচারপ্রার্থীর হাতে ছুরি দিয়ে আঘাত করে এক লাখ টাকা ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক দুলাল কিশোর মজুমদার।

আহত দুলাল সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের নন্দীগ্রামের মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সোমবার পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির তারিখ ছিল। এ লক্ষ্যে সকালে দুলাল ও তার ভাই বেলায়েত হোসেন রিপন আদালতে আসেন। বিরোধ নিষ্পত্তির ঘটনায় পূর্বনির্ধারিত আড়াই লাখ টাকা ছিল তাদের সঙ্গে। এর মধ্যে দুলালের কাছে এক লাখ ও রিপনের কাছে দেড় লাখ টাকা ছিল। ঘটনার সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে অজ্ঞাতপরিচয়ের দুজন লোক দুলালের ওপর হামলা ও প্যান্টের পেছনের পকেটে থাকা টাকা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে দুলাল চিৎকার দিয়ে ওঠে ও তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে হাতে আঘাত করে হামলাকারীরা দুলালের কাছ থেকে টাকাগুলো নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে রিপনসহ আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হামলায় তিনি মাথায়ও আঘাত পেয়েছেন।

ভুক্তভোগী নোমান হোসেন দুলাল বলেন, অচেনা দুজন লোক আমার ওপর হামলা করে পকেটে থাকা এক লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় তারা আমার হাতে ছুরি দিয়ে আঘাত করে।

কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক দুলাল কিশোর মজুমদার বলেন, আহত দুলালকে নিয়ে এসে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন। আমি তাৎক্ষণিক আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছি।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীরা থানায় এসেছেন। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের আইনজীবী রাসেল মাহমুদ মান্না বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এর আগে এমন ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার পরপরই বিষয়টি আমরা কোর্ট পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছি। 



সাতদিনের সেরা