kalerkantho

সোমবার । ২ কার্তিক ১৪২৮। ১৮ অক্টোবর ২০২১। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সড়ক যেন নৌপথ!

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সড়ক যেন নৌপথ!

পাকা সড়কপথ দেখলে মনে হয় এ যেন নৌপথ। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। তাই সড়কটি এখন পরিণত হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতায়। এটি বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর-মহিশুরা পাকা সড়কের ধেরুয়াহাটি গ্রামের চিত্র। বারবার আশ্বাসের কথা শোনা গেলেও এই ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলছে না এলাকাবাসীর। তারা এখন এটাকে অনেকটা নিয়তি হিসেবেই মেনে নিচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক দশক আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে সড়কটি পাকা করা হয়েছে। উপজেলার মথুরাপুর ও গোপালনগর ইউনিয়নবাসীর যোগাযোগের একমাত্র সড়ক এটি। দীর্ঘদিন ধরে ভারী যানবহন চালাচল করায় সড়কটি ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে।

এই সড়কের ধেরুয়াহাটি গ্রামের অংশে জলাবদ্ধতায় অনেকের বাড়ির উঠানে, এমনকি ঘরের ভেতরেও জমে রয়েছে নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি। বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা ডুবে রয়েছে পানিতে। জলাবদ্ধতায় কমপক্ষে ১০টি পরিবারকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেকের বসতঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

সরেজমিন ফিরোজা বেগমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, উঠানে নোংরা পানি জমে রয়েছে। আরেকটু বৃষ্টি হলেই তার ঘরে পানি যাবে। ফিরোজা বেগম বলেন, উঠানে পানি, রাস্তায় পানি। পঁচা পানির গন্ধে থাকা যায় না। অন্য কোথাও যাওয়ার ব্যবস্থা থাকলি আমরা এই এলাকা ছাইড়্যা চইল্যা যাইত্যাম।

মওলা বক্স, রাসেল মাহমুদ, আব্দুল খালেক, খয়ের আলীসহ অনেকে জানান, ঘর থেকে নামলেই নোংরা পানি। যাতায়াত করতে হলে এই পানি এড়ানোর কোনো উপায় নেই। এ ছাড়া এই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় অর্ধ লাখ মানুষের দূর্ভোগের চিত্র একই ধরনের।

গ্রামের স্কুলশিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ চলাফেরা করে থাকেন। এমন অবস্থা হয়েছে যে বোঝার উপায় নেই সড়কটি কখনো পাকা করা হয়েছিল। বর্তমানে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য। তিনি দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী রুমানা আফরোজ বলেন, পাকা সড়কে সমস্যার বিষয়টি এলাকাবাসী আমাকে জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা