kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ থামছেই না, এবার গফরগাঁওয়ে আহত ১

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৯:২৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ থামছেই না, এবার গফরগাঁওয়ে আহত ১

ছবি: সংগৃহীত

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এবার ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একই ঘটনায় আনোয়ার হোসেন (৫৬) নামের এক ট্রেনযাত্রী আহত হয়েছেন।

গতকাল শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে গফরগাঁও স্টেশনের আউটার সিগন্যাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চলন্ত ট্রেনের ছাদে ডাকাতের ছুরিকাঘাতে দুইজন খুন হওয়ার তিন দিন পার না হতেই পাথর নিক্ষেপের এ ঘটনা ঘটল সেখানে।

আহত আনোয়ার জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার সাতপোয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি সরিষাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত।

গফরগাঁও জিআরপির ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেন জানান, আহত আনোয়ার যমুনা এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে জামালপুর ফিরছিলেন। ট্রেনটি  গফরগাঁও স্টেশনের আউটার সিগন্যাল এলাকায় পৌঁছলে পাশের বস্তি থেকে অজ্ঞাতরা পাথর নিক্ষেপ করে। পাথরখণ্ডটি আনোয়ারের কপালে লাগলে আহত হন তিনি। তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

এসআই শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে কোনো শিশু ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করে থাকতে পারে। তবে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান বলেন, 'পাথর নিক্ষেপে এক যাত্রী আহত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আহত ব‍্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে।'

প্রায় একই সময় চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) তামান্না তন্নী নামে এক ছাত্রী গুরুতর আহত হন। তিনি আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। বর্তমানে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বোয়ালমারী রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করার সময় দুর্বৃত্তদের ছোড়া একটি পাথর তামান্নার মাথায় লাগলে আহত হন তিনি।

দুর্ঘটনার বিষয়ে একই ট্রেনের যাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র মনিরুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, 'শনিবার রাত ৯টার দিকে বোয়ালমারী রেলওয়ে স্টেশন পার হওয়ার পর তামান্না হঠাৎ মাথায় হাত দিয়ে চিৎকার দিয়ে ওঠে। আমরা চিৎকার শুনে তাঁর কাছে যাই এবং মাথায় হাত দিয়ে দেখি প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেনে কর্তব্যরত টিটির কাছ থেকে ফাস্ট এইড বক্স নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুল্যান্সে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।'

গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাহারিয়ার খান বলেন, 'রোগী মাথার ডান পাশে আঘাত পেয়েছেন এবং ফুলে গেছে। রোগীর অবস্থা এখনই বলা সম্ভব নয়। সিটি স্ক্যান করালে বোঝা যাবে ব্রেনে কোনো ধরনের আঘাত পেয়েছে কি না। আপাতত তাঁকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।' 



সাতদিনের সেরা