kalerkantho

শনিবার । ৭ কার্তিক ১৪২৮। ২৩ অক্টোবর ২০২১। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

তরুণ বাইকারদের রেসের বলি ওষুধ কম্পানির প্রতিনিধি

মেহেরপুর প্রতিনিধি    

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১০:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তরুণ বাইকারদের রেসের বলি ওষুধ কম্পানির প্রতিনিধি

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি বীজ ফার্মের দ্বিতীয় ফটকের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় ইয়াহিয়া (৬৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে তিন তরুণ বাইকার।

গতকাল শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে এ  দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়াহিয়া কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা গ্রামের গোলাম হোসেন মাস্টারের ছেলে। তিনি ওষুধ কম্পানি কাললুস ফার্মার প্রতিনিধি ছিলেন।

আহতরা হলেন চাঁদবিলের হামিদুলের ছেলে সাগর (১৮), গোভীপুর গ্রামের মিলনের ছেলে ইমরান (২১), মুজিবরগরের পুরন্দরপুর গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে রাব্বি (২১)। এদের মধ্যে রাব্বির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে আহত রাব্বি, সাগর, ইমরানসহ ৫-৭ জন তরুণ বাইকার রেস করে চুয়াডাঙ্গা থেকে মেহেরপুরের দিকে আসছিলেন। অপরদিকে মেহেরপুর থেকে ওষুধ কম্পানির প্রতিনিধি ইয়াহিয়া চুয়াডাঙ্গা যাচ্ছিলেন। পথে আমঝুপি বীজ ফার্মের দ্বিতীয় ফটকসংলগ্ন এলাকায় প্রথমে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এর পর ওই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে আরো একটি মোটরসাইকেল। এতে ঘটনাস্থলেই ইয়াহিয়া নিহত হন। আহত হন তরুণ বাইকার রাব্বি, সাগর ও ইমরান।

খবর পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা হাইওয়েতে প্রায়ই উঠতি বয়সী তরুণরা উচ্চ গতিসম্পন্ন মোটরসাইকেল নিয়ে রেস করে। মাঝেমধ্যে সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটে। এতে পঙ্গু হয়ে গেছে অনেকে। এই রেসের কারণেই প্রাণ গেল ইয়াহিয়া নামের ওই ওষুধ কম্পানির প্রতিনিধির। এসব তরুণ বাইকারদের না থামাতে পারলে এ ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা থামবে না।

মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ডিউটি কর্মকর্তা সাফায়েত হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আহতদের উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান বলেন, দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হওয়ার ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 



সাতদিনের সেরা