kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

উল্লাপাড়ায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে শত শত মানুষ

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি    

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৩:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উল্লাপাড়ায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে শত শত মানুষ

সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। রাস্তা তলিয়ে যায় হাঁটু সমান পানিতে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির পানি রাস্তা গড়িয়ে ঢুকে পড়ে আশপাশের বাসা-বাড়ি থেকে শুরু করে ছোটখাটো কারখানা ও অফিসগুলোতেও। এমন অবস্থা থেকে যেন কিছুতেই মিলছে না ঘোষগাঁতী মহল্লার মুক্তি। বর্ষা কিংবা ঋতুভেদহীন বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় উল্লাপাড়া পৌরসভার ঘোষগাঁতী মহল্লার মায়া মন্দির সংলগ্ন এলাকাবাসীর যাতায়াতের প্রধান সড়কটি। খোদ এমন চিত্র রয়েছে উল্লাপাড়া পৌরসভা এলাকার বেশ কিছু সড়কের।

এ নিয়ে বিগত কয়েক মাস ধরে গণমাধ্যমে দুর্ভোগের চিত্র প্রকাশ পেলেও নিরসনের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনেও ড্রেনেজব্যবস্থা স্থাপন না করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে এই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন মহল্লাবাসী।

বর্ষা মৌসুমে মাঝেমধ্যে বৃষ্টিপাত হলেই উল্লাপাড়া পৌরসভার ঘোষগাঁতী নামক এলাকায় চোখে পড়ে এমন জলাবদ্ধতায় শিকার হওয়া স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগের চিত্র। মানুষ ও যানবাহন চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় প্রায় এক থেকে দেড় ফুট উচ্চতার পানির নিচে। সেই সাথে বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়েছে নিচু বাসা-বাড়ি থেকে শুরু করে দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনায়।

ভুক্তভোগী ঘোষগাঁতী মহল্লার বাসিন্দা উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই এলাকার যাতায়াতের প্রধান সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তা তলিয়ে গেলে মহল্লার শত শত শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। এলাকার বসবাসরত মানুষ মৌখিকভাবে বহুবার পৌরসভার কাউন্সিলর ও জনপ্রতিনিধিদের জানালেও ড্রেনেজব্যবস্থা স্থাপন এবং রাস্তা সংস্কারের নেই কোনো তেমন উদ্যোগ।

তবে নাগরিকদের এই দুর্ভোগ নিরসনে কাউন্সিলর হিসেবে কিছু করণীয় আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে সরল স্বীকারোক্তি আর আশ্বাস ছাড়া যেন কিছুই নেই কাউন্সিলরের কাছে। উক্ত ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস. এম আমিরুল ইসলাম আরজুর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, পৌরসভা থেকে কোনো বরাদ্দ না থাকায় রাস্তার কাজে হাত দিতে পারছেন না তিনি। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে আটকে গেছে সব উন্নয়ন কার্যক্রম। তবে সামনে বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে ড্রেনেজব্যবস্থা ও রাস্তা সংস্কারের কাজ করা হবে। 

উল্লাপাড়া পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার সাফিউল ইসলাম জানান, নতুন পরিকল্পনায় পৌরসভার বিভিন্ন মহল্লার রাস্তা সংস্কার ও ড্রেনেজব্যবস্থার উন্নয়নের পরিকল্পনা চলছে। নগর পরিকল্পনার উন্নয়নের বাজেট বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে কাজ করা হবে। 

পৌর মেয়র এস এম নজরুল ইসলাম জানান, করোনা পরিস্থিতিতে উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অবহেলিত এলাকার উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে। 



সাতদিনের সেরা