kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

'কুয়াকাটা সৈকতের ভাঙন রোধে ৯৫০ কোটি টাকার প্রকল্প'

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'কুয়াকাটা সৈকতের ভাঙন রোধে ৯৫০ কোটি টাকার প্রকল্প'

সমদ্রের ভাঙন কবলিত পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকত পরিদর্শনে গিয়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, কুয়াকাটা সৈকত ভাঙন রোধে ৯৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্পটি সঠিক প্রকল্প হতে হবে। টেকসই প্রকল্প গ্রহণে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে চাই। সে জন্যই বিদেশি বিশেষজ্ঞ দ্বারা কুয়াকাটা ভাঙন রোধের প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। সরকারের আমলেই কুয়াকাটা ভাঙনরোধ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নৌযান যোগে কলাপাড়ার আন্ধারমানিক নদীর মোহনা সংলগ্ন ভাঙন কবলিত নিজামপুর পরিদর্শন শেষে তিনি একথা বলেন।

কুয়াকাটা সৈকত পরিদর্শনে গিয়ে তিনি আরো বলেন, আন্ধারমানিক নদের মোহনায় চর পড়ে গেছে। ডুবচর ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে কাটা হলে নদীর তীর ভাঙবে না। আন্ধারমানিক নদের নিজাম বেড়িবাঁধের যেখানে গাছ আছে সেখানে বাঁধ ভাঙেনি। যেখানে গাছ নেই সেখানের বেড়িবাঁধ ভেঙেছে। এই এলাকায় গাছপালা না লাগালে বাঁধ টিকবে না। সরকার যতই বাঁধ করা হোক টিকবে না।

তিনি বলেন, নিজামপুর বেড়িবাঁধ রক্ষায় জিও ব্যাগের মাধ্যমে বাঁধ রক্ষার কাজ হয়েছে, সুন্দর কাজ হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের আওতায় কোস্টাল ইনভায়রনমেন্ট প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প চলমান আছে আরো ২০টি প্রকল্প হাতে আছে। যে সকল প্রকল্পের আওতায় ভাঙন রোধে কাজ হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, কুয়াকাটা সৈকতসংলগ্ন গাছ পালা না থাকায় বন্য বা ঘূর্ণিঝড়ের সময় ক্ষতির পরিমাণ বেশি হবে। কুয়াকাটার স্থানীয় বাসিন্দাদের গাছপালা রোপণ করার আহ্বান করে মন্ত্রী বলেন, নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করা হলে বন্যার সময় কুয়াকাটার ক্ষতি কম হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. রোকন উদ-দৌলা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক ভিপি আ. মন্নান কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার, কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. বারেক মোল্লা প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা