kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চাঁদা না পেয়ে হত্যাচেষ্টা, ১২ আসামির জামিন নামঞ্জুর

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২০:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদা না পেয়ে হত্যাচেষ্টা, ১২ আসামির জামিন নামঞ্জুর

চাঁদা না পেয়ে কুপিয়ে হাত পা কেটে ক্ষত-বিক্ষত করার মামলায় আমতলী উপজেলা যুবলীগ সভাপতি, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিসহ ১২ জন নেতাকর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (ভারপ্রাপ্ত) বিচারক মো. নাহিদ হাসান এ আদেশ দিয়েছেন। আসামিরা হলেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর জি এম মুছা ওরফে আবু মুছা, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জি এম ওসমানী হাসান, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান, উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মতিন খান, যুবলীগ নেতা তানজিল, মিরাজ মিয়া, আল ফাহাদ, রিয়াজ মুন্সী, রুবেল, আশিকুর রহমান আসলাম, কবির ও সবুজ। এরা সবাই আমতলী পৌরসভার বাসিন্দা। মামলায় আ. মালেক খান ও মো. হাচান মৃধা পলাতক ও অপর আসামি রায়হান জামিনে রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আমতলী পৌরসভার মৃত আনোয়ার হোসেনের পুত্র ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমানের ভাগনে আবুল কালাম আজাদ একজন ঠিকাদার। চলতি বছরের ২১ মে রাত অনুমান ৮টার দিকে আবুল কালাম আজাদ উপজেলার খুরিয়ার খেয়াঘাট হতে নোমরহাট পাকা রাস্তার ওপর পৌঁছলে আসামিরা তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা রামদা, ছেনা দিয়ে তার দুই পা, দুই হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে এবং হাত পায়ের রগ কেটে ফেলে।

ভিকটিম ও বাদীর মামা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও পৌর সভার মেয়র মো. মতিয়ার রহমান বলেন, আমার ভাগিনাকে আসামিরা হত্যা করতে চেয়েছিল। আল্লাহ আজাদকে বাঁচিয়েছেন। আমার ভাগিনা চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছে।

বরগুনার কোর্ট বারান্দায় আসামি পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জি এম ম্ছুা বলেন, আমতলীর মেয়র রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। বাদীর ঘটনার দিন ও সময় আমি আমতলী মাতৃছায়া কাপড়ের দোকানে ছিলাম। সিসি ক্যামেরায় তার প্রমাণ রয়েছে। এই ঘটনায় আমরা জড়িত না থাকলেও আমাদের জড়িত করা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা