kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ঈশ্বরগঞ্জে ‘ভয়ঙ্কর রাজাকার’ শহীদুল্লাহ গ্রেপ্তার

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২০:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈশ্বরগঞ্জে ‘ভয়ঙ্কর রাজাকার’ শহীদুল্লাহ গ্রেপ্তার

শহীদুল্লাহ ফকির।

পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মিলে বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ, হত্যা ও নারী নির্যাতন করা ছিল যার নেশা- সেই ভয়ঙ্কর রাজাকার শহীদুল্লাহকে (৭২) অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে শহরের কালীবাড়ি রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এতোদিন তিনি গা ঢাকা দিয়েছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈশ্বরগঞ্জ পৌর এলাকার কাকনহাটি মহল্লার মৃত কমর উদ্দিন ফকিরের ছেলে মো. শহীদুল্লাহ ফকিরের বিরুদ্ধে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে ২০২০ সালের ২ নভেম্বর অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করছে ট্রাইবুনাল। এরই মাঝে ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শাওন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একটি টিম বৃহস্পতিবার দুপুরে ঈশ্বরগঞ্জ পৌর এলাকার কালীবাড়ি রোড থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তবে তার বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জ হলেও ঢাকার বনানী এলাকার একটি বাসায় বসবাস করতেন বলে জানা গেছে। 

ঈশ্বরগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আব্দুছ ছাত্তার বলেন, ‘শহীদুল্লাহ ১৯৭১ সালে আল-বদর বাহিনীর কমান্ডার ছিল। ওই সময় সে পাকিস্থান হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মিলে ব্যপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তার মূল কাজই ছিল হত্যা অগ্নিসংযোগসহ নারী নির্যাতন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ঈশ্বরগঞ্জ চরনিখলা উচ্চ দ্যিালয়ের তৎকালীন প্রধানশিক্ষক হরিদাস ভট্টাচার্য ও তাঁর ছেলে-মেয়েকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। এছাড়াও ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও কিশোরগঞ্জে তার ভূমিকা ছিল দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও পাকিস্থানের পক্ষে সভাসহ দেশ বিরোধী নানা ষড়যন্ত্র করা।’

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ‘শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে ট্রাইবুনাল থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এ অবস্থায় ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’



সাতদিনের সেরা