kalerkantho

শুক্রবার । ৬ কার্তিক ১৪২৮। ২২ অক্টোবর ২০২১। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না বাক্কারের

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না বাক্কারের

শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের চকপাঠাকাটা গ্রামের বাক্কার আলী অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না। পচন ধরেছে হাত ও পায়ে। মৃত্যুর প্রহর গুনছেন তিনি। পিতা-মাতা, ভাই-বোন- কেউ নেই। বাক্কারের নেই কোনো ভিটে মাটিও। একমাত্র ১৩ বছরের ছেলে ও প্রতিবেশীদের কোনো রকম সহযোগিতায় চলছে তার অসহায় জীবন।

বাক্কার কিছুদিন আগে কাজের সন্ধানে কুমিল্লা শহরে গিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। এ জন্য তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়। সেখানে দীর্ঘদিন নকলা উপজেলার কৃতি সন্তান ডা. সোহরাব হোসেনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শেষে বেশ কিছু দিন নকলা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন। এরপর তার পায়ের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অর্থের অভাবে ও অপারেশনের জন্য রক্তের অভাবে আবার ফিরে আসতে হয় বাড়িতে। 

সম্প্রতি তার পায়ে, হাতে চিকিৎসা ও ওষুধের অভাবে পচন ধরেছে। নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পায়ের সঠিক চিকিৎসা করাতে হবে। আরো একটি অপারেশন দরকার তার। 

স্থানীয় লালু মিয়া নামে এক মুদির দোকানদার বলেন, ‘বাক্কার মিয়া খুব অসহায়। নাই টেকা, তার নাই কোনো চিকিৎসা। আমরা আশেপাশের কয়েকজন মিইল্লা বাড়ির পেছনে একটা চালা ঘর তুইল্লা থাকবার দিছি। এহন অর চিকিৎসার দরহার।’

পাঠাকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফয়েজ মিল্লাত বলেন, ‘অসহায় বাক্কারের খোঁজ নিয়ে কি করণীয় পরে জানাবো।’ 

নকলা অদম্য মেধাবী সহায়তা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেন, ‘তার মতো অসহায় মানুষের পাশে সবসময় সহযোগিতা করে নকলা অদম্য মেধাবী সহয়তা সংস্থা। আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে একটি হুইল চেয়ার দেওয়া হবে।’ তার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।



সাতদিনের সেরা