kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

করোনায় বন্ধ ছিল স্কুল, গাছ কেটে বিক্রি করে দেন প্রধান শিক্ষক!

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনায় বন্ধ ছিল স্কুল, গাছ কেটে বিক্রি করে দেন প্রধান শিক্ষক!

বরিশালের বাবুগঞ্জের ৫নং তিলেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, তিলেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ করোনা মহামারিতে সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগে বিদ্যালয়ের লক্ষাধিক টাকার গাছ (চাম্বল, মেহেগনি) গোপনে বিক্রি করে দেন। বিষয়টি বেশ কয়েকদিন প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ধামাচাপা দিয়ে রাখেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পর গেল ১২ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয় খুললে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরবর্তীতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে একটি অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। বিষয়টি উপজেল শিক্ষা অফিসের নজরে আসলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।

প্রধান শিক্ষক গত বৃহস্পতিবার সোনালী ব্যাংক খানপুরা শাখায় ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে ২৪ হাজার টাকা জমা দেন। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ লক্ষাধিক টাকার গাছ বিক্রি করলেও মাত্র ২৪ হাজার টাকা জমা দিয়ে বাকি টাকা প্রধান শিক্ষক আত্নসাৎ করেন। এ ছাড়াও প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ করেন খোদ উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, প্রধান শিক্ষক আবুল কালামের আজাদের বিরুদ্ধে স্লিপ কার্যক্রম ও ক্ষুদ্র মেরামতের নামে অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ রয়েছে, তাহা তদন্তধীন।

উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জানান, ৫নং তিলের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ বিক্রি, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিন তদন্ত করে  যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ঝড়ে বিদ্যালয়ের কিছু গাছ ভেঙে পরেছিল। পরে  আমি গাছগুলো বিক্রি করে টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিয়েছি।



সাতদিনের সেরা