kalerkantho

সোমবার । ২ কার্তিক ১৪২৮। ১৮ অক্টোবর ২০২১। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

মনোহরদীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মনোহরদীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল

নরসিংদীর মনোহরদীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিবাদমান সম্পত্তির চারদিকে টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বড়চাপা মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি বিরোধীয় সম্পত্তিটি দখলে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর পুলিশকে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, বড়চাপা মৌজার ৩০নং খতিয়ানের আরএস ২৫৩২নং দাগের ৬৬ শতাংশ জমির মধ্যে ১৩ শতাংশ জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। ২০১৬ সালে ওই সম্পত্তির দাবিদার ফজিলাতুন্নেছা নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নালিশী সম্পত্তি নিয়ে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। গত ৫ সেপ্টেম্বর আদালত ওই সম্পত্তিতে কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ ও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য মনোহরদী থানার ওসিকে বলার আদেশ দেন। পরদিন মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পক্ষে উপ পরিদর্শক এসআই নজরুল ইসলাম উভয় পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার জন্য নোটিশ দেন।

সম্প্রতি মো. কাইয়ূম মিয়া কয়েকজন শ্রমিক দিয়ে নালিশী সম্পত্তির চারদিকে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দখলে নিয়েছেন। সেখানে তিনি একটি টিনের দু’চালা ঘরও নির্মাণ  করেছেন।

ফজিলাতুন্নেছা বলেন, স্বামী মৃত্যুর পর তাঁর পৈত্রিক ১৩ শতাংশ জমির কিছু অংশে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করেন। বাকী অংশে গাছপালা রোপণ করে ভোগ দখল করে আসছেন। ২০১৬ সালে ওই সম্পত্তি জোর করে দখলে নিয়ে গাছপালা কেটে নেয়ার হুমকি দিলে তিনি কাইয়ূম মিয়া, মাহফুজা এবং জরিনা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় গত ৫ সেপ্টেম্বর আদালত স্থিতাবস্থা জারি করেন।

এ বিষয়ে কাইয়ূম মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী কামরুন্নাহার জানান, জোর করে আমরা কারো সম্পত্তি দখল করিনি। ফজিলাতুন্নেসা ২০০৯ সালে আকবর আলী নামে এক ব্যক্তির কাছে ওই জমি বিক্রি করেছেন। সেখান থেকে ২০১২ সালে সাফ কোবলা দলিলে আমরা কিনে ভোগ দখলে গিয়েছি। তাছাড়া আমরা ওই জমিতে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করার পর আদালতের নিষেধাজ্ঞা এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

মনোহরদী থানার ওসি মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বলেন, জমি নিয়ে বিবাদের বিষয়টি আমার নজরে নেই। ক্ষুব্ধ পক্ষ অভিযোগ জানালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা