kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ কার্তিক ১৪২৮। ২৬ অক্টোবর ২০২১। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

একটি 'নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু' নির্বাচন দেখল সন্দ্বীপবাসী

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২০:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একটি 'নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু' নির্বাচন দেখল সন্দ্বীপবাসী

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সোমবার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখল চট্টগ্রামের সন্দ্বীপবাসী। ১২টি ইউনিয়নের নির্বাচনকে ঘিরে গোটা সন্দ্বীপ ছিল নিরাপত্তার ছাদরে ঘেরা। রহমতপুর, আমানউল্লাহ ও সন্তোষপুর অতি ঝুঁকিপূর্ণ ইউনিয়ন হিসেবে চিহ্নিত থাকলেও প্রশাসনের ভূমিকায় বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে আমানউল্লাহ ইউনিয়নের নৌকা প্রার্থী মাহবুবুল আলম নওশাদ দুপুর ১২টায় অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম সকাল থেকে আমার এজেন্ট এবং কর্মীদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন।

সোমবার সন্দ্বীপে অনুষ্ঠিত ১২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪টি ইউনিয়নে নৌকা সমর্থিত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ৮টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈরি আবহাওয়ায় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শুরুতেই ভোটার উপস্থিতি কম হলেও ১০টার পর বৃষ্টি থামলে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার বাড়তে থাকে। চেয়ারম্যান পদে মোট ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬ ইউনিয়নে নৌকা, এক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এবং আরেক ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

মাইটভাঙ্গা থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান মিজান, রহমতপুর থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদুল মাওলা কিশোর, সন্তোষপুর থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন মহিউদ্দিন জাফর, গাছুয়া থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন আবু হেনা, মুছাপুর থেকে নৌকা প্রতিকে আবুল খায়ের নাদিম, হরিশপুর থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন আবুল কাশেম মোল্যা, আমানউল্লাহ থেকে আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল ইসলাম ও আজিমপুর থেকে আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যুবলীগের মো. রকি। বাকি ৪টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন হারামিয়া থেকে মো. জসিম উদ্দিন, বাউরিয়া থেকে জিল্লুর রহমান, সারিকাইত থেকে ফখরুল ইসলাম পনির এবং মগধরা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এস এম আনোয়ার হোসেন।

নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১২ ইউনিয়নে ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক তৎপর ছিল। টহলে ছিল র‍্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে চারজন কনস্টেবল এবং ১ প্লাটুন আনসার বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।



সাতদিনের সেরা