kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৫ কার্তিক ১৪২৮। ২১ অক্টোবর ২০২১। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

১১ ঘণ্টা টয়লেটে স্কুলছাত্রী : আয়া বরখাস্ত, প্রধানশিক্ষককে শোকজ

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২০:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১১ ঘণ্টা টয়লেটে স্কুলছাত্রী : আয়া বরখাস্ত, প্রধানশিক্ষককে শোকজ

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের টয়লেটে বাকপ্রতিবন্ধী এসএসসির এক পরীক্ষার্থী ১১ ঘণ্টা আটকে পড়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের গাফেলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এতে তদন্তের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (আয়া) শাহানা আক্তারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত এবং একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আমির হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে।  

চাঁদপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দিন পাটোয়ারী এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, এ ঘটনায় হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (আয়া) শাহানারা আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত ও একই সঙ্গে নৈশ প্রহরী কবির হোসেনের কাছে কৈফিয়ত তলব করেছে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক আমীর হোসেনকে (শোকজ) কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দিন পাটোয়ারী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান উল্যাহ চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

শাহরাস্তি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান উল্যাহ চৌধুরী জানান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ের টয়লেটে ছাত্রী থাকাবস্থায় তালাবন্ধ করে চলে যাওয়া, স্থানীয় লোকজন তালা ভেঙে ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের সময় তিনি ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত থাকা, ঘটনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করা এবং বাকপ্রতিবন্ধী এই শিক্ষার্থীকে ভর্তি করার পর তার প্রতি বিশেষ যত্নের ব্যবস্থা না করায় কারণ দর্শানোর নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মকতা আরো জানান, এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে দায় এড়াতে পারেন না।

ওই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বাকপ্রতিবন্ধী শারমিন আক্তার গত বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টার সময় বিদ্যালয় ছুটির পর টয়লেটে গেলে তালা বন্ধ করে চলে যায় বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (আয়া) শাহানারা আক্তার। এরপর রাত ১০টার পর এক পথচারীর মুঠোফোনের আলোয় তা নজরে পড়লে টয়লেটের তালা ভেঙে স্থানীয়রা বাকপ্রতিবন্ধী এই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন।



সাতদিনের সেরা