kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বগুড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া    

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১২:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

পার্কে বেড়াতে আসা লোকজনকে হয়রানী ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বগুড়া সদর থানার দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ। বগুড়া সদর থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আবদুল্লাহ আল মোস্তফা ও কনস্টেবল (ড্রাইভার) মাহিদুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়।

 এর আগে শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে পুলিশ সুপারের আদেশে তাদেরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯টার পরে এএসআই মোস্তফা ও ড্রাইভার কনস্টেবল মাহিদুর মোটরসাইকেলযোগে থানা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে মম ইন ইকো পার্কে যান। সাদা পোশাকে থাকা দুই পুলিশ পার্কে মোটরসাইকেল নিয়ে বেড়াতে আসা লোকজনকে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে হয়রানি করতে থাকেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনজন আরোহীসহ একটি মোটরসাইকেল আটক করে দুই হাজার টাকা দাবি করেন তারা। এ নিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীদের সাথে দুই পুলিশের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায় অন্যান্য লোকজন দুই পুলিশ সদস্যকে ঘেরাও করেন। খবর পেয়ে মম ইন ইকো পার্কের কর্মকর্তারা এসে দুই পুলিশ সদস্যের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাদেরকে থানায় পাঠিয়ে দেন। পরে বিষয়টি পুলিশেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে রাতেই তাদেরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

প্রত্যাহার হওয়া এএসআই আব্দুল্লাহ আল মোস্তফা এ বিষয়ে জানান, তারা মোটরসাইকেলযোগে মম ইন ইকো পার্কের ভিতর দিয়ে পল্লী মঙ্গল যাচ্ছিলেন। পার্কের মধ্যে তিনজন আরোহীসহ একটি মোটরসাইকেলের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। এসময় তাদেরকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। এমন সময় কিছু লোকজন আমাদেরকে চিনতে না পেরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরে পরিচয় দেয়া হলে তারা চলে যান এবং মোটরসাইকেল আরোহী তিনজনকেও ছেড়ে দেয়া হয়।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ডিউটির বাহিরে কাউকে না জানিয়ে তারা মম ইন পার্কে যান। সেখান থেকে একটি অভিযোগ আসায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযোগটির সত্যতার বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা