kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

অন্ধকারে মায়ের ক্ষত-বিক্ষত দেহের পাশে কাঁদছিল ফাতেমা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অন্ধকারে মায়ের ক্ষত-বিক্ষত দেহের পাশে কাঁদছিল ফাতেমা

মায়ের লাশের পাশে কাঁদতে থাকা শিশু ফাতেমা।

বাড়ির অদূরে নির্জন হাওরের পাশে অঝোরে কান্না করছে এক শিশু। শব্দ পেয়ে এলাকার লোকজন এগিয়ে যায় দেখতে। সেখানে গিয়ে মেলে এক নারীর ক্ষত-বিক্ষত দেহ। তার পাশে বসেই 'মা মা' বলে ডাকছে এবং কান্না করছে শিশু ফাতেমা। শিশুটির শরীরে লেগে আছে রক্ত।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গাঙাইল ইউনিয়নের সুরাশ্রম এলাকার শ্রীরামপুর গ্রামে শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত ইয়াসমিন (৩২) কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামের মো. সিরাজের মেয়ে। ৮-১০ বছর আগে নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের হাদিস মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেনের (৪০) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ওই দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে কলহ চলছিল তাদের। এ নিয়ে মামলাও চলছিল। কয়েকদিন আগে দুই পরিবারের মধ্যে সমাঝোতায় গত দুদিন আগে ইয়াসিমন স্বামীর বাড়িতে ফেরত আসেন।

এলাকার ইউপি আমিনুল ইসলাম জানান, নির্জন জায়গা থেকে এক শিশুর কান্নার আওয়াজ ভেসে আসছিল। সেই কান্নার আওয়াজের উৎস খুঁজতে আশপাশ থেকে লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেখানে গিয়ে দেখতে পান এক নারীর ক্ষত-বিক্ষত রক্তাক্ত দেহ পড়ে রয়েছে। আর লাশের পাশে বসে তিনবছর বয়সী এক কন্যা শিশু ফাতেমা অনবরত কান্না করছে।

খবর পেয়ে নান্দাইল মডেল থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীর লাশ উদ্ধার করে। এলাকার লোকজন ধারণা, ইয়াসমীন হত্যার সঙ্গে স্বামী সাদ্দাম ও তাঁর পরিবারের লোকজন জড়িত থাকতে পারে।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে রয়েছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা