kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ইউপি নির্বাচন শরণখোলা

প্রচারে বাধা ও হুমকির অভিযোগ স্বতস্ত্র প্রার্থীর

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৯:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রচারে বাধা ও হুমকির অভিযোগ স্বতস্ত্র প্রার্থীর

বাগেরাহাটের শরণখোলার ধানসাগর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী (চশমা) মো. মহিম আকন তার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, প্রচারে বাধা, ভোটারদের হুমকি দেওয়াসহ নানা অভিযোগ করেছেন নৌকার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। আজ শনিবার দুপুরে শরণখোলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিম আকন বলেন, নৌকার প্রার্থী মইনুল ইসলাম টিপু ও তার কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি মানছেন না। নৌকার প্রার্থীর শ্যালক ও তার অন্যতম কর্মী ইউপি সদস্য হুমায়ুর করিম সুমন তালুকদারসহ তার কর্মী বাহিনী আমার চশমা প্রতীকের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং আমার কর্মীদের মারধর করে। তাদের হামলায় রেজাউল হাওলাদার, লাল চান শরীফসহ আমার বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছে। তাদের অব্যাহত হুমকি ও মারধরে আমার কর্মীরা প্রচারে নামতে ভয় পাচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে মহিম আকন বলেন, নৌকার কর্মীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে, ভোট কেন্দ্রে গেলে প্রকাশ্যে টেবিলে নৌকায় সিল দিতে হবে। এ ছাড়া কেউ আমার চশমা প্রতীকের এজেন্ট হলে তাকে নির্বাচনের পরে দেখে নেওয়া হবে।

মহিম আকন অভিযোগ করে আরো বলেন, নৌকার কর্মীদের বিধি লঙ্ঘন ও তাদের হুমকির বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রিটার্নিং অফিসারসহ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে আমি শঙ্কিত। তাই নির্বাচনে অতিরিক্ত র‌্যাব-পুলিশ মোতয়েনের দাবি জানাই।

অভিযোগের ব্যাপারে নৌকার প্রার্থী মো. মইনুল ইসলাম টিপু বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা মানে এটা মাছে কোচ দাবড়ানোর মতো অবস্থা। আমার কোনো কর্মী তার কর্মীদের হুমকি তো দূরের কথা, উল্টো তার এবং তার কর্মীদের নির্যাতন ও হুমকিতে আমরা আতঙ্কে আছি। বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাতুনে জান্নাত বলেন, উভয় প্রার্থীই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। যে যাই বলুক নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট কেন্দ্রে কেউ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে পার পাবে না।



সাতদিনের সেরা