kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পালালেন স্বামী!

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পালালেন স্বামী!

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের কেশালীডাঙ্গা গ্রামে জুয়া খেলার টাকা না পেয়ে মারধর ও নির্যাতনের পর স্ত্রী কাকলি রানী মহন্তকে (২৯) শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী কল্লোল চন্দ্রের  বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত কল্লোলসহ তার পরিবারের লোকজন।

শনিবার দুপুরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত কল্লোল চন্দ্র ওই গ্রামের শুকলু চন্দ্র মহন্তের ছেলে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আড়াই বছর আগে পারিবারিকভাবে কল্লোলের সঙ্গে কাকলীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর জানা যায়, কল্লোল জুয়াসহ মাদকেও আসক্ত। এ নিয়ে প্রায়ই দুজনের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লাগত। এ ছাড়া কিছুদিন ধরে কল্লোল চন্দ্র মাদক ও জুয়া খেলার টাকার জন্য কাকলীকে চাপ দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাকলীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন তিনি। কয়েকদিন আগে কাকলী পুষ্টি প্রকল্পের টাকা পায়। শুক্রবার রাতে জুয়া খেলার জন্য কাকলীর কাছে ওই টাকা থেকে দুই হাজার টাকা চান কল্লোল। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কাকলীকে বেদম মারধরসহ শারীরিক নির্যাতন চালান তিনি। শেষ রাতের দিকে কাকলীকে গলাটিপে হত্যা করে মরেদেহ গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান কল্লোল ও তার পরিবারের লোকজন।

কাকলীর বড় ভাই মনোরঞ্জন মহন্ত দাবি করেন, জুয়ার টাকা না পেয়ে কল্লোল তার বোনকে রাতভর নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্ততি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় জানান, নিহতের গলা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কল্লোলসহ পরিবারের লোকজন পলাতক।



সাতদিনের সেরা