kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৩০ নভেম্বর ২০২১। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

লক্ষ্মীপুরে ‘শেষ ঠাঁই’ নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটল ভূমিহীনদের

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি    

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১২:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লক্ষ্মীপুরে ‘শেষ ঠাঁই’ নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটল ভূমিহীনদের

মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে গত দুই দশকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়েছে। ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে বহু পরিবার। তাদের মধ্যে অন্তত দুই হাজার পরিবারের প্রায় ১০ হাজার মানুষ রামগতি-লক্ষ্মীপুর সড়কে আশ্রয় নিয়েছে। আধপেটা খেয়ে, না-খেয়ে তাদের জীবন কোনো রকমে চলে যাচ্ছে বটে, তবে পরিবারের কেউ মারা গেলে লাশ দাফন নিয়ে পড়ে বিপাকে। কবর দেওয়ার মতো জায়গা পাওয়া যায় না।

এই অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে সদর উপজেলার পশ্চিম চরমনসা গ্রামে সাড়ে ২৯ শতাংশ জমি কিনে কবরস্থান ও মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। মূলত পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদের উদ্যোগে এটি সম্ভব হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে তিনি এই করবস্থান ও মসজিদ উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, মৃতদের কবর দেওয়া নিয়ে নদীভাঙা মানুষের দুশ্চিন্তা ও স্থানীয় ২৫ জন যুবকের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে খবর প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে। বিষয়টি নজরে পড়ায় আইজিপি বেনজীর আহমেদ এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী জমি কেনাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়। 

ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) মুজতুবা আহমেদ তুহিন বলেন, সড়কের পাশে বসবাসকারী নদীভাঙনের শিকার ব্যক্তিরা সহায়-সম্বলহীন। পরিবারের কেউ মারা গেলে বিপদে পড়ে। কোথায় কবর দেবে, জায়গা পায় না। এই জনপ্রতিনিধি বলেন, আইজিপি বেনজীর আহমেদের আন্তরিকতার কথা মানুষ মনে রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রায় একই কথা বলেন লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) পলাশ কান্তি নাথও।



সাতদিনের সেরা