kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

যমুনার ভাঙনে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন চৌহালী উপজেলা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৯:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যমুনার ভাঙনে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন চৌহালী উপজেলা

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করায় চৌহালী উপজেলা জুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। ইতিমধ্যে নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে উপজেলার প্রায় ২০০ বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। প্রতি বছরের এই চিরচেনা নদী ভাঙনের কারণে হুমকির মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। তাই ভাঙন বিধ্বস্ত উপজেলার বাকি অংশটুকু রক্ষার জোর দাবি এলাকাবাসীর। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- ভাঙন রোধে কাজ চলছে। আর স্থানীয় সংসদ জানালেন আগামীতে ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার মানচিত্রে চৌহালীর স্থান থাকলেও দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থা আর দফায় দফায় নদী ভাঙনের জন্য জেলা সদর থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন এখন চৌহালী উপজেলা।

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু হওয়ায় চৌহালী উপজেলায় দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। প্রতিবছরের ন্যায় চলতি বছর বন্যায় গত সাত দিনে উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের খাসপুকুরিয়া থেকে বাগুটিয়া ইউনিয়নের তিন কিলোমিটার অঞ্চলে প্রায় ২০০টি বসতবাড়ি ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে রেহাইপুখুরিয়া পশ্চিমপাড়া, মিটুয়ানী, চর বিনানই ও চর সলিমাবাদ এলাকায়। হুমকির মধ্যে রয়েছে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাগুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি।

স্থানীয়রা বলছেন, ভাঙন রোধে মানববন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানানো হলেও মিলছে না স্থায়ী কোনো প্রতিকার। তাই স্থানীয়দের জোর দাবি ভাঙন রোধে চাই স্থায়ী বাঁধ।

চর বিনানই গ্রামের আফসার আলী বলেন, বাড়িঘর, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে প্রতি বছরই নিঃস্ব হচ্ছে শতশত মানুষ। ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দীর্ঘদিন থেকে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করছে অন্তত পাঁচ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। তার পরে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না সংশ্লিষ্টরা।

চৌহালির দায়িত্বে থাকা টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সেরাজুল ইসলাম জানান, নদী ভাঙন রোধে উপজেলার কয়েটি স্থানে কাজ চলমান রয়েছে। শুস্ক মৌসুমে বেশী ভাঙন প্রবন এলাকায় বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

চৌহালী-বেলকুচি আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মোমিন মন্ডল জানান, এ অঞ্চলে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণসহ নানা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষা চলে গেলে অনেক স্থানে কাজ শুরু হবে।



সাতদিনের সেরা