kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

শিক্ষার্থী নেই, তাই খোলা হয়নি মাদরাসাটি!

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিক্ষার্থী নেই, তাই খোলা হয়নি মাদরাসাটি!

নেই শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা কর্মচারি। পরিষ্কার করা হয়নি মাদরাসার আঙিনা। অফিস কক্ষের সামনে বাঁধা রয়েছে গরু। শ্রেণি কক্ষে নেই বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল। উড়ছে না জাতীয় পতাকা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে পাঁচদিন ধরে বন্ধ রয়েছে মাদরাসাটি।

মাদরাসাটিতে রঙের কাজ করছেন নওগাঁ থেকে আসা পাঁচ শ্রমিক। তাঁরা বলেন, গত রবিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দিন থেকে তাঁরা এখানে রঙের কাজ করছেন। এই কয়দিনে মাদরাসায় কোনো শিক্ষার্থী আসেনি। ছিলেন না কোনো শিক্ষক। মাদরাসার প্রধানকেও দেখা যায়নি। শুধুমাত্র একদিন মাদরাসা সভাপতির পরিচয়ে একব্যক্তি তাঁদের খোঁজ নিতে এসেছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সরেজমিনে উপজেলার এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসা বন্ধ রয়েছে। এখানে কোনো শিক্ষক কিংবা ছাত্র-ছাত্রী নেই। এসব কারণে মাদরাসার মাঠসহ এর আশপাশের এলাকা নোংরা পরিবেশ বিরাজ করছে।

গ্রামের ইউনুস আলী বলেন, গত রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই মাদরাসাটি খোলা হয়নি। মাদরাসা সুপার হাকছেদ আলী ফিরেও তাকান না। পাঠদান না হওয়ায় এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে গেছে।

মাদরাসা সভাপতি মোজাম্মেল হক বলেন, মাদরাসা সংস্কারসহ রঙের কাজ চলছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হয়নি।

মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট হাকছেদ আলী বলেন, নন এমপিওভূক্ত প্রতিষ্ঠান কোনোটাই ভালোভাবে চলে না। আমার মাদরাসারও একই অবস্থা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ আলম সেখ বলেন, চলতি শিক্ষাবছরে এলেঙ্গা মাদরাসার সুপার চার শ্রেণির জন্য ৮০ সেট বইয়ের আবেদন করেছিলেন। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই প্রতিষ্ঠানে চাহিদার বই সরবরাহ করা হয়। শিক্ষার্থী না থাকলে সরবরাহকৃত বই ফেরত নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কেন মাদরাসা খোলা হয়নি তার ব্যাখ্যা চেয়ে সুপারকে পত্র দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা