kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

কাজিপুরে বন্যায় কৃষকের ক্ষতি ২০ কোটি টাকার বেশি

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৯:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাজিপুরে বন্যায় কৃষকের ক্ষতি ২০ কোটি টাকার বেশি

সাম্প্রতিক বন্যায় কৃষকের নষ্ট হয়ে যাওয়া একটি বেগুন ক্ষেত। ছবি: কালের কণ্ঠ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে যমুনায় সৃষ্ট বন্যায় কাজিপুরে কৃষকের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সোয়া কুড়ি কোটি টাকা। গত বছরের ভয়াবহ বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে এবার কৃষক কোমর বেঁধে রোপা আমনের চাষ করেছিলেন। কিন্তু তাতেও বন্যার ছোবলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের হতাশা আরো বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, যমুনার চরাঞ্চলে অবস্থিত ছয়টি ইউনিয়নসহ ১২ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৫০ হাজার কৃষক এবার মোট ১১ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষ করেছিলেন। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ২০ হেক্টর, উফশী জাতের ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের চাষ হচ্ছে এক হাজার ৯৪৫ হেক্টর। এতে করে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২৯ হাজার ৭৪৭ মেট্রিক টন। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের চাষ হয়েছিল ৭৮ মেট্রিক টন, উফশী ২৬ হাজার ৯৭ মেট্রিক টন এবং স্থানীয় জাতের দুই হাজার ৮৭৯ মেট্রিক টন। সময়মতো বৃষ্টি ও আর সঠিক পরিচর্যায় অতি দ্রুত ধানের চারা বেড়েও উঠেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বন্যায় এই ফসলের অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতির শিকার হয়েছেন মোট ১৩ হাজার ৩৭১ জন কৃষক।

রোপা আমন বীজতলা ক্ষতি হয়েছে ৩০ হেক্টর, রোপা আমন দুই হাজার ৫২০ হেক্টর, শাকসবজি ১৫ হেক্টর, এবং কলার ক্ষেত ৩ হেক্টর।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। তাদের অনেকের আগাম লাগানো আধাপাকা ধানও পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার ফলে নষ্ট হয়ে গেছে। এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য মাষকলাইয়ের বীজ সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। প্রথম পর্যায়ে সাড়ে নয় শ কৃষক সরকারি প্রণোদনা পাবেন। কিন্তু এখনো বিভাজন দেওয়া হয়নি।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রেজাউল করিম জানান, প্রকৃতির ওপর কারো হাত নেই। তবে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। কৃষকের পাশে রয়েছি। তাদের জন্য সরকারি সহায়তাও আসছে। সামনে মাষকলাই, সরিষা চাষের জন্য কৃষকদের পরামর্শসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছি।



সাতদিনের সেরা