kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

কেরানীগঞ্জে র‍্যাবের সোর্স হত্যা মামলার মূল হোতা গ্রেপ্তার

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০১:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেরানীগঞ্জে র‍্যাবের সোর্স হত্যা মামলার মূল হোতা গ্রেপ্তার

ঢাকার কেরানীগঞ্জের আলোচিত র‍্যাবের সোর্স আলমগীর (২৪) হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ার হোসেন (৪০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপ- পরিদর্শক আবজালুল হকের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান চালিয়ে পটুয়াখালী জেলার দশমিনা থানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আনোয়ার পটুয়াখালী জেলার  বাউফল থানার হোসনাদাব গ্রামের আলী মুন্সির ছেলে। সে একজন পেশাদার মাদক কারবারি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবজাল জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা উত্তর পাড়ার হাবিবনগরের ভাড়াটিয়া অটোচালক (র‍্যাবের সোর্স ও মাদক কারবারি) আলমগীর হোসেন (২৪)কে পূর্ব চড়াইল আবু সাঈদের রিকশার গ্যারেজের সামনে কে বা কারা হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে চলে যায়। পরে নিহতের বড় ভাই জুয়েল হোসেন বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টায় হত্যায় অংশ নেওয়া নিহতের তিন সহযোগী ও মাদক কারবারি পিচ্চি বাবু, কাউয়া লিটন ও সবর আলীকে আটক করে পুলিশ। পরে আটক তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানা যায়, আলমগীরসহ তারা সকলে একই সঙ্গে মাদকের ব্যবসা করত। মাদকের আধিপত্য নিয়ে তাদের মাঝে মতবিরোধ দেখা দেয়।

পরে নিহত আলমগীর তার চার সহযোগী আনোয়ার, বাবু, লিটন ও সবর আলীকে র‍্যাব দিয়ে ধরিয়ে দেয়। তারা জেল থেকে বের হয়ে আলমগীরকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক মাদকের কথা বলে আলমগীরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে আসে তারা। পরিকল্পিতভাবে আলমগীরকে হত্যা করে মোবাইল ফোন বন্ধ করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা। চার হত্যাকারীর তিনজনকে পুলিশ আগেই গ্রেপ্তার করতে পারলেও  মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ারা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় দেশের দক্ষিণাঞ্চল পটুয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু ছালাম মিয়া জানান, এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড। পুলিশের অপ্রাণ চেষ্টায় হত্যায় সম্পৃক্ত সবাইকে আটক করা গেছে। আটক আসামিকে আদালতের মাধ্যেমে জেল হাজত পাঠানো হয়েছে।



সাতদিনের সেরা